সেমিফাইনালে আবাহনীর মুখোমুখি হবে বসুন্ধরা। যাদের কাছে ফেডারেশন কাপে হেরে শিরোপা খুইয়ে ছিলো নবাগতরা।
শুক্রবার শুরুর অর্ধে রহমতগঞ্জই ভুগিয়েছে বসুন্ধরা কিংসকে। প্রাণভোমরা কোলিন্দ্রেসকে শুরুর একাদশে না রাখায় বসুন্ধরার আক্রমণ ছিলো নখদন্তহীন। যার সুযোগটা পুরোপুরি নেয় রহমতগঞ্জ। ২৫ মিনিটে এগিয়ে যায় তারা। গোলটি করেন মিডফিল্ডার জামাল হোসেন।
দ্বিতীয়ার্ধে কোলিন্দ্রেস নামলে অবশেষে আক্রমণে ধার বাড়ে বসুন্ধরার। তার নেতৃত্বে ৬৬ মিনিটে সমতায় ফেরে নবাগতরা। এর চার মিনিট পর আবারও ব্যবধান বাড়িয়ে প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলে দেয় রহমতগঞ্জ। নিজের মার্কারকে কাটিয়ে গোলটি করেন ফয়সাল আহমেদ।
সমতায় ফিরতে শেষ দিকে আরও বেশি আগ্রাসী ছিলেন কোলিন্দ্রেস। দুবার গোলের চেষ্টা করলেও তা গিয়ে লাগে সাইড পোস্টে। অবশেষে শেষ বাঁশি বাজার আগে তার ক্রস থেকেই দলকে সমতায় ফেরান বকতিয়ার।
অতিরিক্ত সময়ের পর খেলা পেনাল্টি শুট আউটে গড়ালে বসুন্ধরার ত্রাতা ছিলেন গোলকিপার আনিসুর রহমান জিকো। তার তিনটি সেভেই টাইব্রেকারে রহমতগঞ্জকে ৩-২ গোলে হারায় বসুন্ধরা।