এই সফরটি হওয়ার কথা ছিলো গত ডিসেম্বরে। সে সময় বিপিএল অনুষ্ঠিত হওয়ায় সিরিজ পিছিয়ে করা হয় জুলাইয়ে। সূচি অনুযায়ী ২৫, ২৭ ও ২৯ জুলাই ওয়ানডে সিরিজটি হওয়ার কথা। কিন্তু গত মাসে শ্রীলঙ্কায় ইস্টার সানডেতে সিরিজ বোমা হামলার পর পর বদলে গেছে পুরো পরিস্থিতি। এই হামলায় নিহত হয়েছেন ৩০০ জনেরও বেশি। আহত অনেক।
নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কায় পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দলের সফরটিও অনির্দিষ্ট কালের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। এ অবস্থায় বিসিবিও খুব উদ্বিগ্ন তাদের এই সফর নিয়ে। বিসিবি প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দীন চৌধুরী জানালেন, ‘বর্তমান যে পরিস্থিতি তাতে খুব উদ্বিগ্ন আমরা। তবে আমরা সফরের আগে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও শ্রীলঙ্কায় বাংলাদেশের হাইকমিশন থেকে পরামর্শ নিয়েই পরবর্তী করণীয় ঠিক করবো।’
বিসিবির এই নির্বাহী আরও জানালেন, এই মাসের শেষ দিকে এসিসির সভায় শ্রীলঙ্কার বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করা হবে পরিস্থিতি নিয়ে, ‘এই মাসের শেষ দিকে সভা হবে এসিসির। সেখানে এ নিয়ে আলোচনা করবো।’
বিগত কয়েক মাসে বেশ কিছু সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে ক্রীড়াঙ্গনে। বিশেষ করে নিউজিল্যান্ড সফরে অল্পের জন্য সন্ত্রাসী হামলা থেকে বেঁচে ফিরেছে সফরকারী বাংলাদেশ দলের সদস্যরা।
ক্রাইস্টচার্চে মসজিদে সন্ত্রাসী হামলায় হতাহতের ঘটনা ঘটেছে অনেক। এরপর থেকে যে কোনও সফরে বাংলাদেশের নিরাপত্তা নিয়ে বেশ উদ্বিগ্ন বিসিবি। বোর্ডের সভাপতি নাজমুল হাসান সরাসরি বলেই দিয়েছেন যে কোনও দেশ সফর করার আগে নিরাপত্তা নিয়ে আশ্বাস পাওয়ার পরই সেখানে যাবে বাংলাদেশ। ক্রিকইনফো।