ড্রাগ, মাফিয়া ও সন্ত্রাসের স্বর্গরাজ্য কলম্বিয়ায় একমাত্র প্রশান্তির নাম ফুটবল। কর্লোসভালদেরামার কথা শুনলে যে কেউ বলবেন তিনি কলম্বিয়ান ফুটবলার। ১৯৯০, ১৯৯৪, কিংবা ১৯৯৮-এর বিশ্বকাপে তার শৈল্পিক ফুটবল দেখে মুগ্ধ হতেন দর্শকরা। তার বিদায়ের পর দীর্ঘ ১৬ বছর কলম্বিয়ানরা বিশ্বকাপের মূল পর্বে উন্নীত হতে পারেনি। যন্ত্রণাময় অপেক্ষার পালা শেষ হয়েছে এবার। নব্বই দশকের সেই ধ্রুপদি ফুটবলাররা হয়তো নেই এ দলে। তবে বল পায়ে রেখে কলম্বিয়ান ঘরানার সাথে ট্যাকটিক্যাল দিকগুলো যোগকরে দলকে ভালোই দাঁড় করিয়েছেন কোচ প্যাকারম্যান। দলের মূল শক্তি রক্ষণে ও আক্রমণে ভারসাম্য সঙ্গে মিডফিল্ডের সাথে দারুণ যোগ সূত্র। আক্রমণভাগে ফ্যালকাও'র অনুপিস্থিতিতে জেমস রদ্রিগেজের কাঁধেই থাকবে আক্রমণের মূল দায়িত্ব। যিনি বিশ্বের সেরা তরুণ প্রতিভাদের একজন। অন্যদিকে গ্রিস সবসময় রক্ষণটাকে শক্তিশালী করে কাউন্টার অ্যাটাকে গোল করার ক্ষেত্রে গুরুত্ব দিয়ে থাকে। দলের সেরা দুই তারকা মিত্রগ্লু ও দিমিত্রিস স্ট্রাইকার হলেও মূল শক্তি হচ্ছে রক্ষণভাগ। তবে কাউন্টার অ্যাটাকে এ দু'জনই হচ্ছে দলের মূল ভরসা। কোচ ফার্নান্দো সান্তোস এই কৌশলে ভালোভাবেই তৈরি করেছেন দলকে। তারপরও আজকের ম্যাচে কলম্বিয়া এগিয়েই থাকবে বলে মনে হচ্ছে। 'সি' গ্রুপের ম্যাচে কলম্বিয়া-গ্রিস মুখোমুখি হবে শনিবার রাত ১০টায়।