রশিদ খান অবশ্য শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে খেলতে সবচাইতে বেশি আগ্রহী। তার এই তালিকায় বাংলাদেশ ছাড়াও আছে নিউজিল্যান্ড, ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার নাম। বোঝাই যাচ্ছে শক্ত প্রতিপক্ষের সঙ্গে খেলে আরও উন্নতি করতে চায় আফগানরা। আবার বাংলাদেশের বিপক্ষেও খেলা হয় না প্রতিনিয়ত। সাকিবদের বিপক্ষে পরবর্তী দ্বিপক্ষীয় সিরিজ হওয়ার কথা ২০২২ সালে। এ নিয়ে আক্ষেপ ঝরলো তার কণ্ঠে, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের লঙ্গার ভার্সনের সিরিজগুলো হওয়া উচিত। এতে ৫০ ওভার অথবা টেস্ট ম্যাচেই বেশি ফোকাস থাকা উচিত।’
বাংলাদেশের বিপক্ষে মাত্র একটি টেস্ট খেলতে পেরেছে আফগানরা। রশিদ খানের চাওয়া তিন ম্যাচের সিরিজ। তিনি মনে করেন লঙ্গার ভার্সনের ক্রিকেট নিয়মিত খেললে উপকৃত হবে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান দু’দলই, ‘ক্রিকেট বোর্ডের এসব বিষয়গুলো নিয়ে ভাবা উচিত। এটা তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ হতে পারতো। তাতে করে শেখার আরও পরিধি বাড়তো একই সঙ্গে অভিজ্ঞতা। আমার মনে হয় ৫০ ওভারের ক্রিকেট ও টেস্ট ম্যাচ খেললে দু দলই উপকৃত হবে।’
ছোট দলগুলোর বিপক্ষে খেললে কোয়ালিটি ফাস্ট বোলিংয়ের ধারটা পাওয়া যায় না বলেই আক্ষেপটা বেশি রশিদ খানের। বিশেষ করে আয়ারল্যান্ড ও স্কটল্যান্ডের মতো দেশের বিপক্ষে। তাই রশিদ খান বাংলাদেশের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টির জায়গায় বেশি বেশি ওয়ানডে, টেস্ট খেলতে আগ্রহী, ‘আমরা শেষ ৫ বছরে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাত্র দুবার খেলেছি। তাদের বিপক্ষে আরও বেশি খেলতে পারলে তাদের শক্তিমত্তা ও দুর্বলতা সম্পর্কে ধারণা হতো। এর ভালো উদাহরণ বাংলাদেশ। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে অনেকবার ওরা খেলেছে বলেই বিশ্বকাপে এমন দারুণ কিছু উপহার দিতে পেরেছে।’