ট্রাইডেন্টসের হয়ে ব্যাট হাতে দায়িত্বশীল ভূমিকা ছিল ওপেনার জনসন চার্লসের। ব্যাট হাতে তারা আগে ব্যাট করতে নেমে ভালো সংগ্রহ পেয়েছে মূলত চার্লসের সর্বোচ্চ স্কোরের কারণে। ৩৬ বলে করেছেন ৪৭ রান। সাকিব আল হাসান দ্বিতীয় ম্যাচেও ব্যাট হাতে ছিলেন ধারাবাহিক। কার্যকরী ২২ রানের ইনিংস উপহার দিয়েছেন। আবার ২৭ রানে অপরাজিত ছিলেন জাস্টিন গ্রেভস। তাদের মিলিত ভূমিকায় ৬ উইকেটে ১৪১ রানের পুঁজি পায় বারবাডোজ।
জবাবে খেলতে নামা সেন্ট লুসিয়া জুকস নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ছিটকে যায় ম্যাচ থেকে। তবে মাঝের দিকে কিছু বিপজ্জনক জুটি গড়ার চেষ্টা ছিল দলটির। কলিন ডি গ্র্যান্ড হোম আর কলিন ইনগ্রামের তেমনই একটি জুটি ভেঙেছেন সাকিব। সর্বোচ্চ ২৫ রান করা কলিন ইনগ্রামকে তালুবন্দী করেছেন নিজের বলে। বাকি সর্বনাশ করেছেন লেগ স্পিনার হেইডেন ওয়ালশ। ২৬ রানে নিয়েছেন ৪ উইকেট। তিনটি নিয়েছেন হ্যারি গার্নি। তাতে ১৮.৪ ওভারে ১১৭ রানে গুটিয়ে যায় সেন্ট লুসিয়া। ম্যাচসেরা হয়েছেন ওয়ালশ।