ব্রাজিল বিশ্বকাপে লাতিন আমেরিকার ৫টি দেশ দ্বিতীয় রাউন্ড নিশ্চিত করলেও পারেনি শুধু ইকুয়েডর। ফ্রান্সের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে বিশ্বকাপ শেষ হলো ইকুয়েডরের। আর ড্র করেও ৭ পয়েন্ট নিয়ে 'ই' গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হয়ে ২য় রাউন্ডে ফ্রান্স। ড্র করলেই ‘ই’ গ্রুপ থেকে শেষ ষোলতে নাম লেখাবে ফ্রান্স। আর শেষ ষোলতে খেলতে হলে ফ্রান্সকে হারাতেই হবে ইকুয়েডকে। তারপরও চেয়ে থাকতে হবে গ্রুপের অপর ম্যাচের দিকে। এমন সমীকরণ মাথায় নিয়ে বুধবার রাত ২টায় স্তাদিও দো মারকানা স্টেডিয়ামে নামে দু’দল । আগের দুই ম্যাচ ৬ গোল করলেও ইকুয়েডরের বিপক্ষে প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি ফ্রান্স। যদিও ম্যাচের শুরু থেকেই ইকুয়েডরের বিপক্ষে আক্রমণাত্মক খেলে ফ্রান্স। গোলের প্রথম সুযোগ পায় ৭ মিনিটেই ফ্রান্স। মুসা সিসোকোর সঙ্গে ওয়ান টু ওয়ান পাসে ইকুয়েডরের বিপদ সীমানায় ঢুকে পড়েছেন আতোয়ান গ্রিজমান। তার নেয়া শট পোস্ট ঘেঁসে চলে যায় মাঠের বাইরে। ম্যাচের ২০ মিনিটে সুযোগ পেয়েছিল ইকুয়েডর। প্রায় মধ্য মাঠ থেকে বল নিয়ে ফ্রান্সের বিপদ সীমানায় ঢুকে পড়েন এনার ভ্যালেন্সিয়া। তার ক্রসে ফ্রান্সের গোলরক্ষকে হুগো লরিস একা পেয়েও গোল করতে পারেননি জেফারসন মন্তেরো। ৩৮ মিনিটে পল পগবা দুর্দান্ত এক হেড এবার কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা করেছেন ইকুয়েডরের গোলরক্ষক আলেকজান্ডার দমিনগেজ। ৪১ মিনিটে এনার ভ্যালেন্সিয়া হেড রুখে দিয়েছেন ফ্রান্সে গোলরক্ষক হুগো লরিস। দ্বিতীয়ার্ধে ৫০ মিনিটে লালকার্ড পেয়ে ভ্যালেন্সিয়া মাঠ ছাড়লে ১০ জনের দলে পরিণত হয় ইকুয়েডর। তারপরও দু'দলই বেশ কয়েকটি গোলের সুযোগ তৈরি করে। শেষ পর্যন্ত সফল কোনও দলই। আক্রমন আর পাল্টা আক্রমন থেকেও কোনও দলই গোল আদায় করতে পারেনি। ফ্রান্সের বেশ কয়েকটি গোল ইকুয়েডরের গোলরক্ষক অসাধারন দৃঢ়তায় রুখে দেন। তার দৃঢ়তায় গোল বঞ্চিত হয় করিম বেনজামোরা। এ ড্রয়ের ফলে ইকুয়েডর ৪ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপে তৃতীয় হয়ে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল। ৭ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নক আউট পর্বে। 'ই' গ্রুপ থেকে তাদের সঙ্গী সুইজারল্যান্ড।