গোলাপি বলের টেস্টকে চ্যালেঞ্জ মনে করছেন না বাশার

হাবিবুল বাশার সুমন।বাংলাদেশ-ভারত দুই টেস্ট দল, যারা প্রথমবার খেলতে যাচ্ছে দিবা-রাত্রির টেস্ট-ম্যাচ। ভারতের ঘরোয়া ক্রিকেটে গোলাপি বলে বেশ কিছু ম্যাচ হলেও বাংলাদেশ একেবারে নতুন। গোলাপি বলে ঘরোয়া ক্রিকেটে একবারই বাংলাদেশে খেলা হয়েছিল ২০১৩ সালে, বিসিএলের ফাইনালে। এমন অবস্থায় এই টেস্ট বাংলাদেশের জন্য চ্যালেঞ্জিং হবে, এমন আশঙ্কা করছেন অনেকে।

বাংলাদেশ জাতীয় দলের নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন অবশ্য ইতিবাচক থাকতে চাইছেন। ‍তিনি মনে করেন, একই অবস্থানে দাঁড়িয়ে দুই দল, ‘গোলাপি বলে কিন্তু ভারতও খেলেনি। আমরা যেখানে দাঁড়িয়ে আছি,  ওরাও সেখানে দাঁড়িয়ে আছে।’

বাশার চ্যালেঞ্জের তুলনায় ইতিবাচকভাবেই বিষয়টি দেখছেন, ‘দুই দলেরই এটা প্রথম। সেক্ষেত্রে সুবিধা আমাদেরও হতে পারে। আবার উল্টোও হতে পারে। আমরা ইতিবাচক আছি। কারণ, আমাদের যেমন অভ্যাস নেই, তাদেরও তেমন অভ্যাস নেই।’

বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে গোলাপি বলে খেলা হয়েছে একবারই। ২০১৩ সালে বিসিএলের ফাইনালে গোলাপি বলে খেলেছিল ওয়ালটন মধ্যাঞ্চল ও বিসিবি উত্তরাঞ্চল। তাই জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা গোলাপি বলে খেলে অভ্যস্ত নন। বাশার বলছেন অভ্যস্ত হওয়ার এটাই সুযোগ, ‘এই ফরম্যাটে আমাদের কোনও না কোনও সময় খেলতে হবে। আমার মনে হয় আমাদের ইতিবাচক থাকা উচিত। গোলাপি বলে খেলিনি বলে কখনও খেলা যাবে না তা নয়। টেস্টের আগে তো কয়েকদিন সুযোগ পাবে। যত দ্রুত সম্ভব মানিয়ে নিতে হবে।’

বাংলাদেশ-ভারতের দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের প্রথমটি হবে ১৪ নভেম্বর ইন্দোরে। তারপর কলকাতায় দিবা-রাত্রির দ্বিতীয় টেস্ট শুরু ২২ নভেম্বর। সিরিজে তামিম-সাকিব না থাকায় তা চ্যালেঞ্জিং হয়ে গেলো না? এমন প্রশ্নের উত্তরে বাশার বললেন, ‘আমার মনে হয় বড় দুই খেলোয়াড়ের অনুপস্থিতি এখানে না আনাই ভালো।  আমাদের এ মুহূর্তে যারা আছে তাদের নিয়েই চিন্তা করা উচিত।  চ্যালেঞ্জ সব সময়ই ছিল। ওরা থাকলেও থাকতো, এখনও আছে।  আন্তর্জাতিক ম্যাচ চ্যালেঞ্জ ছাড়া হয় না। আমার মনে হয় আমাদের ইতিবাচক থাকা উচিত। যারা আছে, তারা আমাদের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা।’