ঠাণ্ডা মাথায় খেলে ভারতের বিপক্ষে কুড়ি ওভারের ক্রিকেটে প্রথম জয়ের স্বাদ এনে দিয়েছেন এই জুটি। মূলত বেঙ্গালুরুর ওই ম্যাচের ভুল থেকেই শিক্ষা লাভ করেছেন তারা। সংবাদ সম্মেলনে মুশফিকও জানালেন তেমনটা, ‘মানুষ ভুল করতেই পারে। তবে সেখান থেকে শিক্ষা নেওয়াটা হচ্ছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। ওই ম্যাচের পর থেকে আমি বেশ কিছু ম্যাচে দলকে জিতিয়েছিলাম। সেগুলো আমাকে আত্মবিশ্বাস দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে কী করেছি, কী করা উচিত ছিল; সেই অভিজ্ঞতাটাও হয়েছে। ২০তম ওভার শুরু হওয়ার আগে আমি আর রিয়াদ ভাই কথা বলেছিলাম। আমরা পরিষ্কার ছিলাম, আসলে আমাদের কী করতে হবে। আমরা ম্যাচ শেষ করে মাঠ ছাড়তে পেরেছি, এটাই আমাদের জন্য দারুণ ব্যাপার।’
২০০৯ সাল থেকে ২০১৮ এই সময়ে ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ ৮টি টি-টোয়েন্টি খেলেছে। যার সবগুলোতেই শেষ হাসি হেসেছে ভারত। দিল্লিতে সাকিব-তামিমবিহীন নবম ম্যাচ খেলতে নেমে জয়ের দেখা পেয়েছে বাংলাদেশ। ভারতকে তাদের মাটিতে হারিয়ে খুশিটা খানিকটা বেশিই মুশফিকের, ‘আলহামদুলিল্লাহ এটা আমাদের জন্য খুব বড় একটি মুহূর্ত। আমরা কখনো ভারতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে জিতিনি। আমরা বেশ কিছু নিয়মিত খেলোয়াড়কে ছাড়া খেলেছি। কিন্তু তরুণরা তাদের দায়িত্ব ঠিকমতো পালন করেছে। বিশেষ করে বোলাররা ভারতের এমন উইকেটে যেভাবে বোলিং করেছে তা সত্যিই প্রশংসনীয়। ওরাই মঞ্চটা গড়ে দিয়েছে।’
১৪৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করার মতো হলেও ব্যাটিং করা সহজ ছিল না বলে জানালেন মুশফিক, ‘উইকেটে ব্যাটিং করা সহজ ছিল না। নতুন বলে এবং তাদের ভালোমানের স্পিনারের বিপক্ষে রান তোলা কঠিন ছিল। তবুও বলবো দলের প্রত্যেকে নিজেদের সামর্থ্য দেখিয়েছে। আমাদের হারানোর কিছু ছিল না। এই পুরো সফরে আমাদের হারানোর কিছু নেই। কিন্তু এই জয় আমাদেরকে নতুন করে চিন্তা করতে সহায়তা করবে।’