শুক্রবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে ম্যাচের প্রথমার্ধে শেখ রাসেল আক্রমণে এগিয়ে ছিল। মিডফিল্ডার আবদুল্লাহ ও স্ট্রাইকার ওদোয়িন জুটি বারিধারার পরীক্ষা নিয়েছে । মোহামেডান থেকে আসা তকলিছ আহমেদও খারাপ খেলেননি। আক্রমণের শুরুতে ছিলেন এই স্ট্রাইকার। ১০ মিনিটের সময় শেখ রাসেলের শেখ গালিবে নেওয়াজের ক্রস থেকে তকলিছের হেড গোলকিপার বাঁচান ফিস্ট করে। তবে জয়সূচক গোলটি পেতে বেশি অপেক্ষা করতে হয়নি রাসেলকে। ১৮ মিনিটে মোহাম্মদ আবদুল্লাহর থ্রু থেকে রাফায়েল ওদোয়িন আগুয়ান গোলকিপার আজাদ হোসেনের পাশ দিয়ে বল প্লেসিং করে দেন।
এক গোলে পিছিয়ে পড়ে বারিধারা ধীরে ধীরে নিজেদের গুছিয়ে নিয়ে আক্রমণ করতে থাকে। দলের অধিকাংশ খেলোয়াড়েরই এই প্রথম মূল স্তরে খেলার অভিষেক হলো। প্রথমার্ধের শেষের দিকে বক্সের বাইরে থেকে বারিধারার পাপন সিংহের জোরালো শট গোলকিপার আশরাফুল ইসলাম রানা ঝাঁপিয়ে পড়ে রুখে দেন।
বিরতির পর দুই দল আক্রমণ-প্রতি আক্রমণে জমিয়ে তুলেছিল ম্যাচ।৪৮ মিনিটে আবদুল্লাহর পাসে ওদোয়িনের শট গোলকিপারের শরীরে লেগে প্রতিহত হয়।এর পর দেখা যায় বারিধারার আক্রমণাত্মক মেজাজ। রাসেলের দুই নির্ভরযোগ্য ডিফেন্ডার ইয়াসিন খান ও বিশ্বনাথ ঘোষ এবার নেই । তাদের জায়গায় আসাদুজ্জামান বাবলু ও সোহেল রানাকে রক্ষণ সামলাতে হিমশিম খেতে হয়েছে।
৫৯ ও ৬৩ মিনিটে বারিধারা দুটি সুযোগ পেয়েও গোল করতে পারেনি। প্রথমটি সুমন রেজার ভলি গোলকিপার কোনমতে তালুবন্দি করেন।পরে মিজানুর রহমানের জোরালো শট ক্রসবারের ওপর দিয়ে যায়।তবে ৭১ ও ৮৫ মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর দুটি সুযোগ নষ্ট হয়েছে রাসেলেরও ।শেষ পর্যন্ত জিতেছে তারা একমাত্র গোলে।
তবে জিতেই খুশি শেখ রাসেলের সহকারী কোচ মাসুদ পারভেজ কায়সার,‘ম্যাচ শেষে আমরা তিন পয়েন্ট পেয়েছি। এতেই আমরা খুশি। তবে হ্যাঁ,ডিফেন্স থেকে শুরু করে প্রতিটি বিভাগের আরও উন্নতি করার সুযোগ আছে। সামনের দিকে আমাদের আরও ভালো করতে হবে।’
ঘরোয়া ফুটবলের মূল স্তরে এই প্রথম কোচ হিসেবে অভিষেক হলো জাতীয় দলের সাবেক স্ট্রাইকার আলফাজ আহমেদের। তবে অভিষেকেই হার দেখতে হয়েছে। আলফাজ অবশ্য দলের পারফরম্যান্স নিয়ে ইতিবাচক,‘আমার দল ভালো খেলেছে। একজন ছাড়া বাকি সবারই প্রথম এই স্তরে খেলার সুযোগ হলো। আমরা লিগে ভালো করতে চাই।’