স্মিথের ব্যাটে অস্ট্রেলিয়ার দিন

৭৭ রানে ব্যাট করছেন স্মিথ। সিরিজের প্রথম টেস্টে নিল ওয়াগনারের শরীর তাক করা শর্ট বল ভুগিয়েছে স্টিভেন স্মিথকে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে ওয়াগনারের শর্ট বলেই দুবার আউট হয়েছেন তিনি। বক্সিং ডে টেস্টে সেই ওয়াগনারের শর্ট বল বেশ ভালোভাবেই সামলেছেন। একই সঙ্গে মেলবোর্নে তার ব্যাটে ভর করে প্রথম দিনটি নিজেদের করে নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। দিন শেষে প্রথম ইনিংসে তাদের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ৪ উইকেটে ২৫৭ রান।

দ্বিতীয় এই টেস্টে সবুজ ঘাসের উইকেটে টস জিতে শুরুতে বল করার সিদ্ধান্ত নেয় প্রথম টেস্টে হারা কিউইরা। পেস সহায়ক কন্ডিশন কাজে লাগানোই ছিল উদ্দেশ্য। এই টেস্টে ফেরা ট্রেন্ট বোল্ট প্রথম বলে জো বার্নসকে ফেরালে মনে হয়েছিল কন্ডিশনটা কাজে লাগাতে পেরেছে নিউজিল্যান্ড। 

কিন্তু এমন শুরুর পর আর চাপই সৃ্ষ্টি করতে পারেনি সফরকারীরা। উল্টো অস্ট্রেলিয়ার সেই ধাক্কা কাটাতে দুর্দান্তভাবে সফরকারী বোলারদের সামলেছেন মার্নাস লাবুশেন ও ডেভিড ওয়ার্নার। ৪১ রানে ওয়াগনারের বলে ফিরে গেছেন ওয়ার্নার। তাতেও সমস্যা হয়নি লাবুশেনের।  একটা সময় মনে হচ্ছিল টেস্টের চতুর্থ সেঞ্চুরির দেখা পেয়ে যাবেন। কিন্তু ৬৩ রান করে ফেলা লাবুশেনকে বোল্ড করে দেন কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম। যাওয়ার আগে স্মিথের সঙ্গে তার জুটিটি ছিল ৮৩ রানের।

লাবুশেন পরবর্তী সময়ে দায়িত্বটা নিজের কাঁধে নিয়েছেন স্মিথ। নতুন করে জুটি গড়ার চেষ্টা করেন ম্যাথু ওয়েডের সঙ্গে। ওয়েড ৩৮ রানে বিদায় নিলে সমাপ্তি ঘটে ৭২ রানের দারুণ জুটির। তার পরে অবশ্য নির্বিঘ্নে কাটিয়ে দিয়েছেন ট্রাভিস হেড ও স্মিথ। স্মিথ ব্যাট করছেন ৭৭ রানে, হেড ২৫ রানে।

ওয়াগনারের শর্ট বল দারুণ ভাবে সামলালেও এই শর্ট বলেই মেজাজ হারিয়ে বসেছিলেন স্মিথ। লাঞ্চ ব্রেকের আগে শর্ট বল গায়ে লাগলে তিনি রান নেওয়ার চেষ্টা করেছেন দুবার। আর দুবারই ‘ডেড বল’ কল করেছিলেন আম্পায়ার নাইজেল লং। এমন ঘটনার পর মাঠে আম্পায়ারের সঙ্গে বাদানুবাদ করতে দেখা যায় স্মিথকে।