ফিফা ক্লাব প্রটেকশন স্কিমের অধীনে এই অর্থ পাচ্ছেন জনি। কোনও খেলোয়াড় যদি ফিফা আয়োজিত প্রতিযোগিতায় চোট পায়, তাহলে তাকে সাহায্য করার নিয়ম। গত ১০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ দল বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের প্রথম ম্যাচ খেলেছে তাজিকিস্তানের মাটিতে। সেখানে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ খেলার আগেই চোট পেয়ে বসেন জনি। ফলে ক্ষতিপূরণ হিসেবে দিনে ৭ হাজার ৬৬৭ টাকা করে ধরা হয়েছে। আপাতত ৫২ দিনের জন্য এসেছে ৩ লাখ ৯৮ হাজার ৬৮৪ টাকা।
বাফুফে সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগ জানিয়েছেন, ‘ফিফার নতুন স্কিমে জনির জন্য ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে এই অর্থ আরও বাড়তে পারে। এই টাকা তার ক্লাবের অ্যাকাউন্টে যাবে। যেহেতু জনির জন্য বাফুফে ও তার ক্লাব আগেই সাহায্য করেছে। এখন ফিফার টাকা ক্লাবের অ্যাকাউন্টে যাবে। তারা কী করবে, সেটা তাদের বিষয়।’
বাংলাদেশের প্রথম ফুটবলার হিসেবে জনির জন্য এই ক্ষতিপূরণের টাকা আসেনি। ২০১৮ সালে বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের ম্যাচে আহত হয়েছিলেন মিডফিল্ডার আতিকুর রহমান ফাহাদ। তাকেও এক লাখ টাকার বেশি ক্ষতিপূরণ দিয়েছিল ফিফা।