ছড়িয়েছিল গুজব, কিন্তু রোনালদো করোনা-আক্রান্ত নন

ফুনচালের বাড়িতে সপরিবারে রোনালদোমার্চ মাসের শুরুর দিকে স্ট্রোক হয় ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর মা দোলোরেস আভেইরোর। আর মাকে দেখতেই ইতালি থেকে পর্তুগালের মাদেইরাতে উড়ে যান জুভেন্টাসের পর্তুগিজ তারকা। সেখান থেকেই জুভে সতীর্থ দানিয়েলে রুগানির করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর পান। বিচলিত রোনালদো স্বেচ্ছায় যান কোয়ারেন্টাইনে। এ খবরেই রং চড়েছে। গুঞ্জন ছড়িয়েছিল যে রোনালদো করোনা-আক্রান্ত রোনালদো।

‘এটি নিশ্চিত যে এই ফুটবলার ও তার পরিবারের কেউই করোনা-আক্রান্ত নন’- মাদেইরার স্বাস্থ্য সচিব পেদ্রো রামোসের এমন ঘোষণাতেও গুঞ্জন থামেনি। অবশেষে মাঠে নামতে হয়েছে খোদ আঞ্চলিক সরকারের প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল আলবুকার্কেকে। তিনিই বলেছেন রোনালদো করোনা-আক্রান্ত নন, ‘তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষার স্বার্থে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত বলতে পারছি না। তবে আমি বলতে চাই গোটা পরিস্থিতি পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এই মুহূর্তে তাই আমি নিশ্চিত করে বলছি যে সংক্রমণের কোনও সম্ভাবনাই নেই।’

ফুনচালে কেনা সাততলা বাড়ির ওপরের দুই তলায় সপরিবারে আছেন রোনালদো। তার সঙ্গে আছেন তিন ভাই-বোন। মাকে দেখভাল করতে গত সপ্তাহে ব্রাজিল থেকে এসেছেন বোন কাতিয়া। করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রনে আনতে এখনও হিমশিম খাচ্ছে ইতালি। যতদিন না পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে, রোনালদো ফুনচালের বাড়িতেই থাকবেন বলে জানা গেছে।

এদিকে রোনালদোর ক্লাব জুভেন্টাসের খেলোয়াড়-স্টাফ মিলিয়ে ১২১ জন স্বেচ্ছায় আলাদাভাবে থাকতে শুরু করেছেন। রুগানির পর জুভেন্টাসের আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড পাওলো দিবালাও করোনাভাইরাসে আক্রান্ত বলে জানা গেছে। ইতালির সব ক্রীড়া কার্যক্রম ৩ এপ্রিল পর্যন্ত স্থগিত ঘোষিত  হয়েছে। আগামী মঙ্গলবার নির্ধারিত জুভেন্টাস-লিওঁ চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচটি তাই হচ্ছে না।