যদিও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তটা আন্তর্জাতি অলিম্পিক কমিটির। চীনের মতো জাপানে সংক্রমণের অবস্থাও আশঙ্কাজনক ভাবে বেড়েছে। আক্রান্ত পাওয়া গেছে ১ হাজার ৪০০ জনেরও বেশি। মারা গেছেন ২৮জন! কিন্তু জাপানের প্রধানমন্ত্রী আবে হাল ছেড়ে দিচ্ছেন না মোটেও, ‘আমরা সংক্রমণের বিস্তার কাটিয়ে উঠতে পারবো। একই সঙ্গে কোন সমস্যা ছাড়াই পরিকল্পনামাফিক অলিম্পিক আয়োজন করতে পারবো বলে মনে করি।’
অবশ্য এই করোনা আতঙ্কের প্রভাব যে অলিম্পিকে পড়েনি, ব্যাপারটা মোটেও তেমন নয়। ঝুঁকি এড়াতে গ্রিসের অলিম্পিয়ায় দর্শক ছাড়া হয়েছে মশাল প্রজ্জ্বলন। অবশ্য গ্রিসের বাকি অংশের মশাল রিলের আনুষ্ঠানিকতা সাড়া যায়নি। দর্শক জমে যাওয়ার আশঙ্কায় বাতিল করা হয়েছে সেটিও। জাপানে মশাল রিলে শুরু হওয়ার কথা ২৬ মার্চ। আয়োজক দেশটি অবশ্য সংক্রমণ ঝুঁকি এড়ানোর কৌশল মাথায় নিয়েই রিলের আনুষ্ঠানিকতা সাড়তে চাচ্ছে।