মার্কেলের সবুজ সংকেত, বুন্দেসলিগা শুরু এ মাসেই

এ মাসেই শুরু বুন্দেসলিগাগত মাসেই জার্মানির বুন্দেসলিগার ক্লাবগুলো অনুশীলনে ফিরেছে। করোনাভাইরাসের কারণে স্থগিত থাকা লিগ ৯ মে থেকে আবার শুরুর প্রাথমিক পরিকল্পনা ছিল জার্মান ফুটবল লিগ কর্তৃপক্ষের (ডিএফএল)। কিন্তু সরকারের সবুজ সংকেত তবু মিলছিল না। অবশেষে সেটি মিললো আজ বুধবার, যখন জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেল বললেন, হ্যাঁ, এ মাসেই বুন্দেসলিগা শুরু করা যেতে পারে।

মাত্র একদিন আগেই বুন্দেসলিগা ১ ও ২-এর ক্লাবগুলোর অনুশীলনে ১৭২৪ জনের করোনাভাইরাস পরীক্ষা হয়, তাতে ১০ জনের ফলাফল আসে পজিটিভ। এরপরও দেশটির সরকার প্রধান যখন লিগ শুরু করার সবুজ সংকেত দেন, তখন লিগ কর্তৃপক্ষ আর সংশয় বা দ্বিধায় ভোগে না। ডিএফএল জানিয়ে দিয়েছে বৃহস্পতিবারই সিদ্ধান্ত হবে কবে থেকে আবার শুরু হবে খেলা। ইউরোপের প্রধান লিগগুলোর মধ্যে বুন্দেসলিগাই মার্চ মাসে স্থগিত হয়ে যাওয়া লিগ আবার আরম্ভ করতে যাচ্ছে প্রথম। যদিও লিগের সব ম্যাচই হবে দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে। প্রতি দলের ৯টি করে ম্যাচ এখনও বাকি। বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের চেয়ে চার পয়েন্ট এগিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে আছে বায়ার্ন মিউনিখ।

ডিএফএলের প্রধান নির্বাহী ক্রিস্টিয়ান সেইফার্ট বলেছেন, ‘আজকের সিদ্ধান্তটি বুন্দেসলিগা ও বুন্দেসলিগা-২-এর জন্য ভালো খবর। এতে ক্লাব ও ক্লাবগুলোর কর্মীদের ওপর অনেক দায়িত্ব বর্তালো যাতে তারা সমস্ত স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত ও সাংগঠনিক বিষয়গুলো সুশৃঙ্খলভাবে করেন। কারও জন্যই দর্শকহীন খেলা আদর্শ সমাধান হতে পারে না। সংকটটা এমনই যে ক্লাবগুলোর অস্তিত্বই ‍হুমকির মুখে, তারপরও লিগ চালু করতে এটা ছাড়া আর কোনও উপায়ও নেই।’

আগামী ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত জনসমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে জার্মানি। সুতরাং ফুটবল ম্যাচ দরজার পেছনে দর্শক ছাড়াই আয়োজন করতে হবে। অবশ্য ডিএফএল পরিকল্পিত স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী খেলা চলাকালীন মাঠের তিনটি অংশের প্রতিটিতে ১০০ জন করে মোট ৩০০ জন থাকতে পারবেন। কেন্দ্রীয় অংশে থাকবেন দুই দলের খেলোয়াড়, রেফারি ও কোচিং স্টাফ, বল বয়।

সরকারি হিসেবে করোনাভাইরাসে জার্মানিতে এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ৭ হাজারের কম। যুক্তরাজ্য, ইতালি, ফ্রান্স ও স্পেনের মতো অন্য পশ্চিম ইউরোপীয় দেশের তুলনায় যে সংখ্যাটা অনেক কম।

এদিকে তুরস্কও সে দেশের অসমাপ্ত সুপার লিগ ১২ জুন থেকে শুরু করার ঘোষণা দিয়েছে।