দীর্ঘ লকডাউনের পর এই অনুশীলন শুরু হওয়ায় কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মানতে হচ্ছে আয়ারল্যান্ডকে। এরজন্য প্রয়োজন ছিল সরকারি অনুমোদনেরও।
ইংল্যান্ডের সঙ্গে সিরিজটি যেন হয়-ই, সেজন্য বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরেই ইসিবির সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে নিচ্ছে ক্রিকেট আয়ারল্যান্ড। অবশ্য আলোচনার মূল উদ্দেশ্যই হচ্ছে সিরিজটি যেন সেপ্টেম্বর থেকে জুলাইয়ে এগিয়ে নিয়ে আসা হয়। এখন পর্যন্ত সিরিজটি হবে বলেই ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, যদিও যুক্তরাষ্ট্র সরকারের অনুমোদন এখনও বাকি।
অবশ্য সোমবার থেকে শুরু হওয়া অনুশীলনে সবাইকে পাওয়া যায়নি। বোর্ড জানিয়েছে, এই সপ্তাহ থেকেই নারী ও পুরুষ দলের সবাই অনুশীলন শুরু করবেন।
তার আগেই ডাবলিনের ক্রিকেট আয়ারল্যান্ড হাইপারফরম্যান্স সেন্টারে জীবাণুনাশক দিয়ে সাফাইয়ের কাজ হয়েছে। একই কাজ হয়েছে বেলফাস্টের সিভিল সার্ভিস গ্রাউন্ডেও। তবে তার আগে কোচ ও খেলোয়াড়দের অনলাইনে সম্যক বিষয়ে জ্ঞান দানের জন্য সেশন পরিচালনা করা হয়েছে বোর্ডের পক্ষ থেকে।
এত আগেভাগে অনুশীলন শুরু করার কারণ হিসেবে ক্রিকেট আয়ারল্যান্ডের এইচপি বিভাগের পরিচালক রিচার্ড হোল্ডসওর্থ জানিয়েছেন, যেহেতু ইংল্যান্ডের টেস্ট খেলোয়াড়েরা আগেই অনুশীলন শুরু করে দিয়েছে, তাই তাদের সঙ্গে পাল্লা দিয়েই এমনটি করতে হয়েছে।
এই লকডাউনে কোনও ধরনের ম্যাচ আয়োজন করতে না পারলেও আয়ারল্যান্ডের খেলোয়াড়েরা বেতন কর্তনের মুখোমুখি হননি। চুক্তিবদ্ধ ক্রিকেটাররা পুরো বেতনই পেয়েছেন। যদিও তাদের আয় হয়ে থাকে ম্যাচ ফি থেকেই।
আয়ারল্যান্ড পুনরায় অনুশীলন শুরু করলেও এর ধরন ইংল্যান্ডের মতোই। তাপমাত্রা পরিমাপসহ নিজস্ব সামগ্রী ব্যবহার করতে হবে অনুশীলনে। এমনকি চেঞ্জিং রুমও ব্যবহার করা যাবে না।
সব কিছু ঠিক থাকলে সিরিজটি যদি মাঠে গড়ায়ই, তাহলে সেটি হবে ২০২৩ বিশ্বকাপের বাছাই প্রক্রিয়ার শুরু। যা অনুষ্ঠিত হবে নতুন প্রচলিত ওয়ানডে সুপার লিগের আওতায়। আইরিশদের জন্য সুখবর হচ্ছে, সিরিজে ইংল্যান্ডের অনেক গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়কেই হয়তো দেখা যাবে না!