অপ্রতিরোধ্য বায়ার্নের সামনে বিস্ময়কর লিওঁ

রাতে সেমিতে মুখোমুখি বায়ার্ন ও লিওঁ। বায়ার্ন মিউনিখ আসলেই তো অপ্রতিরোধ্য। এই বছরে টানা ২৪ ম্যাচ ধরে তারা অপরাজিত। শেষ ২৮ ম্যাচে গোল গড়ও আবার ৩.৪। চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালে এমন দলের সামনেই কিনা পড়েছে ‘বিস্ময়কর’ লিওঁ। যাদের হেলায় ফেলে দেওয়ারও সুযোগ নেই। ফরাসি লিগে সপ্তম হওয়া দলটি জুভেন্টাস, ম্যানচেস্টার সিটিকে বিদায় দিয়ে বিস্ময়ের সৃষ্টি করেছে। সেমির উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচটি শুরু হবে বুধবার দিবাগত রাত ১টায়। দেখাবে সনি টেন-২।

সবশেষ ম্যাচে বায়ার্ন যেভাবে বার্সেলোনাকে বিধ্বস্ত করেছে, তাতে এই ম্যাচে স্পষ্ট ফেভারিট ভাবা হচ্ছে জার্মান দৈত্যদের। কিন্তু বায়ার্নের অতীত পরিসংখ্যানও খুব একটা স্বস্তিদায়ক নয়। টানা চার সেমিতেই বিদায় নিতে হয়েছে। তাই বায়ার্ন কোচ হান্সি ফ্লিক খুব সতর্ক। পুরনো ম্যাচের সব কিছু ভুলে গিয়ে শুরু করতে চাইছেন নতুন করেই, ‘শুরু থেকেই শুরু করতে হবে। তবে আমার দল কিন্তু পুরোপুরি মনোযোগী। আমরা বেশি গোল উপহার দিলেও শুরুটা করছি শূন্য থেকে।’

প্রতিপক্ষ লিওঁকেও পিছিয়ে রাখা যাচ্ছে না। যাদের বলা হচ্ছে সারপ্রাইজ প্যাকেজ। ইতালিয়ান চ্যাম্পিয়ন ও প্রিমিয়ার লিগ রানার্স আপকে বিদায় দেওয়াতে তাদের কোনওভাবেই খাটো করে দেখার সযোগ নেই। যদিও ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় মুখোমুখি লড়াইয়ে এগিয়ে বায়ার্নই। ৯ ম্যাচের ৪টিতেই জয় বায়ার্নের।  ড্র হয়েছে দুটি, হার দুটিতে।

লিওঁ কোচ গার্সিয়া অবশ্য পরিসংখ্যানকে পাত্তা দিচ্ছেন না মোটেও। ম্যানসিটিকে হারানোর উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেছেন, ‘সিটির বেলাতেই দেখতে পারেন, ওরা প্রিমিয়ার লিগে ১০০টির বেশি গোল করেছিল। তাই শুধু পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে, আমাদের হোটেলে বসেই ম্যাচগুলো দেখতে হবে। তখন বায়ার্নকে মাঠে একাই খেলতে হবে। ওদের যদিও দুর্বলতা নেই। কিন্তু এটাও মনে রাখতে হবে, কোনও দলই নিখুঁত নয়।’

 এক নজরে:

১. সর্বশেষ দুই দল মুখোমুখি হয়েছিল চ্যাম্পিয়নস লিগেই। ২০০৯-১০ মৌসুমে ৪-০ গোলের অগ্রগামিতায় জিতেছিল বায়ার্নই!

২. ১২তম বারের মতো সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে বায়ার্ন। তাদের চেয়ে একবার বেশি সেমিফাইনাল খেলেছে রিয়াল মাদ্রিদ।

৩. সর্বশেষ ২০১২-১৩ মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর শেষ চার সেমিফাইনাল থেকেই বিদায় নিতে হয়েছে বায়ার্নকে।