আরামাবাগের হারের পর ক্লাবের কিছু উগ্র সমর্থক ও কর্মকর্তা ফুটবল ফেডারেশনের ভবনে এসে ব্যাপক ভাঙচুর শুরু করে। তারা ইট-পাটকেল মেরে ফুটবল ফেডারেশন ভবনের কাঁচের জানালা ও স্ক্রিন ভেঙে ফেলে। ভাঙচুর হয় বাফুফে ভবনের অভ্যর্থনা কক্ষও। এছাড়া তারা ফেডারেশনের ভেতর রক্ষিত বেশকিছু গাড়িও ভাঙচুর করে। এর মধ্যে প্রথম আলোর সিনিয়র সাংবাদিক পবিত্র কুণ্ডুর গাড়িও ভাঙচুর করেছে তারা।
দুদিন আগেই নেপালকে হারিয়ে শিরোপা জেতা অনূর্ধ্ব-১৪ দলের ওই সময় বাফুফে ভবনে ছিল। এ সময় তাদের মধ্যে ভয় ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এছাড়া বাফুফের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। ঘটনার ২০ মিনিট পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ বিষয়ে তাৎক্ষনিকভাবে কেউ কোনও মন্তব্য করেননি।
/আরএম/এমআর/