বর্তমানে বাবলু বাসায় অবস্থান করছেন। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসাও নিচ্ছেন। বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেছেন, ‘এমনিতে জ্বর ও হালকা কাশি আছে। সকালে তাই পরীক্ষা করতে দিয়েছিলাম। একটু আগেই ফল পেয়েছি। করোনা পজিটিভ হলেও আপাতত বড় কোনও সমস্যা নেই। ডাক্তার ওষুধ দিয়েছেন, সেবন করছি। এখন থেকে বিশ্রামেই আছি।’
হাসানুজ্জামান বাবলু জাতীয় দলে খেলেছেন কৃতিত্বের সঙ্গেই। ১৯৭৫ থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত ছিল তার সফল পদচারণা। এছাড়া ঘরোয়া ফুটবলে আবাহনী, মোহামেডান ও ব্রাদার্সের হয়েও মাঠ মাতিয়েছেন। খেলোয়াড়ি জীবন শেষ করে পরে নাম লেখান কোচিংয়ে। মোহামেডানকে লিগ চ্যাম্পিয়ন করিয়েছেন ১৯৯৯ সালে। জাতীয় দলের কোচের দায়িত্বও পালন করেছেন এই সাবেক তারকা ফুটবলার। ২০০৬ সালে পেয়েছেন জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার।
এছাড়া বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) নির্বাহী কমিটির সদস্যও ছিলেন এক সময়। বর্তমানে সাবেক ফুটবলারদের সংগঠন সোনালী অতীতের সভাপতি পদে কাজ করে যাচ্ছেন।
উল্লেখ্য, বাবলুর আগে করোনা পজিটিভ হওয়া বাদল রায় বর্তমানে বাসায় চিকিৎসা নিচ্ছেন। এছাড়া আব্দুল গাফফার আক্রান্ত হলেও করোনা মুক্ত হয়েছেন অনেক আগেই।