জাতীয় ক্রীড়া পরিষদেরর জিমন্যাসিয়ামে এই প্রতিযোগিতায় সারা দেশ থেকে প্রায় ২০০জন ক্রীড়াবিদ অংশ নেওয়ার কথা। বিভিন্ন ইভেন্টে ছেলে ও মেয়ে উভয় বিভাগের খেলোয়াড়রা থাকবেন।
স্বাস্থ্যবিধি মেনেই এই প্রতিযোগিতা আয়োজন করতে যাচ্ছে ফেডারেশন। সংস্থাটির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল ইসলাম রানা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দেওয়া শর্তগুলো শতভাগ মেনেই প্রতিযোগিতা আয়োজন করতে যাচ্ছি। এখানে একক নৈপুণ্যের খেলা হবে। দুই খেলোয়াড়ের মধ্যে সাংঘর্ষিক কোনও খেলা নেই। তাই এখানে সামাজকি দূরত্ব যথাযথভাবেই মানা হবে।’
তবে এই খেলায় থাকছে না কোনও দর্শক। ফেডারেশনের এই কর্তা তেমন ইঙ্গিতই দিয়েছেন, ‘এই প্রতিযোগিতায় কোনও দর্শক প্রবেশের সুযোগ থাকছে না। অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড়দের বলে দেওয়া হয়েছে, যাদের জ্বর কিংবা অসুস্থতা আছে, তারা যেন না আসে। সবাইকে মাস্ক ও গ্লাভস পড়তে হবে। এছাড়া সুরক্ষা হিসেবে হ্যান্ড স্যানিটাইজারও সঙ্গে রাখতে হবে।’