ইংল্যান্ডের সঙ্গ তিনটি করে টি-টোয়েন্টি ও ওয়ানডে ম্যাচের সিরিজ খেলতে অস্ট্রেলিয়ার সীমিত ওভারের দল এখন ইংল্যান্ডে। ৪ সেপ্টেম্বর সাউদাম্পটনে টি-টোয়েন্টি দিয়ে শুরু এই সিরিজ ম্যানচেস্টারে ওয়ানডে দিয়ে শেষ হবে ১৬ সেপ্টেম্বর। দলের প্রতি সিএ’র স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক পরামর্শ হলো, বোলাররা ঘাম ব্যবহার করতে পারবেন, তবে তা নিতে হবে পেট ও পিঠ থেকে। কোনও অবস্থাতেই মুখ, গলা বা কপাল থেকে নেওয়া যাবে না।
অস্ট্রেলিয়া দলের প্রধান পেসার মিচেল স্টার্ক মনে করেন ঘাম ব্যবহারেও এমন কঠিন নিয়ম সীমিত ওভারের ক্রিকেটে খুব একটা প্রভাব ফেলবে না। ‘এটা সাদা বলের ক্রিকেটের সম্ভবত খুব বেশি প্রাসঙ্গিক নয়। নতুন বলে শুরু হলে আপনি বলটিকে যথাসম্ভব শুষ্কই রাখতে চাইবেন। লাল বলের ক্রিকেটেই আসলে এ নিয়ে প্রশ্নটা উঠবে’-ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার ওয়েবসাইট ক্রিকেট ডট কম ডট এইউকে শুক্রবার বলেছেন স্টার্ক।
৩০ বছর বয়সী ফাস্ট বোলার আরও বলেছেন, ‘প্র্যাকটিস ম্যাচগুলোতে আমরা অবশ্যই এটা দেখবো। যদি এটা নিয়ে নতুন করে ভাবতে হয়, তাহলে সিরিজ শুরু হওয়ার আগে আমাদের মধ্যে আলোচনা হবে।’
গত জুলাই মাস থেকে প্রথমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও পরে পাকিস্তানের সঙ্গে টেস্ট সিরিজ দিয়ে কোভিড-১৯ পরবর্তী অনিশ্চিত অবস্থায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফিরিয়েছে ইংল্যান্ড। ওই দুটি সিরিজই জিতে নিয়েছে ইংল্যান্ড। ম্যাচ জেতাতে পেসারদের ভূমিকাই ছিল বড় এবং তারা বলে লালা ব্যবহার করেননি। লালার ব্যবহার ছাড়াই পুরোনো বলে কতটা সুইং পাওয়া গেছে তা নিয়ে অবশ্য বিতর্ক আছে। তবে পেসাররা ঘাম ব্যবহার করেছেন। কপাল, মুখ ও গলা, এমনকি পিঠে জমা ঘামও ব্যবহার করতে দেখা গেছে জেমস অ্যান্ডারসন, জফরা আর্চার ও স্টুয়ার্ট ব্রডদের। স্টার্ক মনে করেন পরিস্থিতি না বদলালে বছরের শেষদিকে তাদের ঘরের মাঠে অনুষ্ঠেয় টেস্ট সিরিজেও ঘাম ব্যবহারের কঠিন আইনটি থাকবে।
তবে স্টার্ক চান টেস্ট সিরিজ শুরু হওয়ার আগে ঘাম ব্যবহারের আইনটি নিয়ে আলোচনা হোক, ‘এখন আমাদের কোনও সমস্যা নেই। তবে লাল বলের ক্রিকেট শুরু হওয়ার আগে এটি নিয়ে আলোচনার প্রয়োজন।’