তাদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগটি হলো, দুজনেই ম্যাচ পাতাতে ঘুষ নিয়েছেন। একই সঙ্গে এই সংক্রান্ত তথ্য পুরোপুরিই গোপন রেখেছেন আইসিসির দুর্নীতি দমন ইউনিট আকসুর কাছে। এদের মধ্যে আশফাককে গত বছরের অক্টোবরে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইয়ের সময়ই নিষিদ্ধ করেছিল আরব আমিরাত ক্রিকেট বোর্ড। তবে এতদিন আনুষ্ঠানিক কোনও অভিযোগ আনা হয়নি।
অবশেষে আইসিসি তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ এনেছে ৫টি ধারায়। তবে অভিযুক্ত ক্রিকেটাররা ১৪ দিন সময় পাবে অভিযোগের প্রেক্ষিতে জবার দেওয়ার জন্য।
প্রসঙ্গত, ১২ মাস ধরেই ক্রিকেটারদের বিভিন্ন দুর্নীতির ঘটনায় জর্জরিত হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ক্রিকেট। গত অক্টোবরে একই কারণে নিষিদ্ধ হয়েছেন মোহাম্মদ নাভিদ, শাইমান আনোয়ার ও কাদির আহমেদ।