করোনায় আক্রান্ত হয়ে শুরুতে ইবনে সিনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন গোলাম রসুল। সেখান থেকে গ্রীন লাইফ হাসাপাতালে ভর্তি হওয়ার পর লাইফ সাপোর্টে থাকাকালীন অবস্থায় মারা গেছেন তিনি।
গোলাম রসুল খেলোয়াড়ি জীবন শেষে কোচ, রেফারি ও সংগঠক হিসেবে ভলিবলের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন। ছিলেন ভলিবলের বেশ পরিচিত মুখ। সবশেষ নেপালের কাঠমান্ডুতে মেয়েদের দলের কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন।
বিসিআইসির অধীনস্থ একটি সংস্থায় জেনারেল ম্যানেজার হিসেবে চাকরি করা গোলাম রসুল ভলিবল কোচ হিসেবে সুনামও অর্জন করেছিলেন। এছাড়া কোচিংয়ের ওপর ভারত ও জার্মানি থেকে উচ্চতর প্রশিক্ষণ ছিল তার।
ভলিবল ফেডারেশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনিস রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘গোলাম রসুলের সঙ্গে আমার ঘনিষ্ঠতা ছিল। তিনি ক্রীড়াঙ্গনে একজন ভালো মানুষ হিসেবেই ছিলেন। তার হাত দিয়ে অনেক খেলোয়াড় বেরিয়েছে। আমরা আসলে একজন ভলিবল অন্তপ্রাণ ব্যক্তিতে হারালাম।’