প্রথম ওভারেই শূন্য রানে মোহাম্মদ হাসনাইনের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে যান অধিনায়ক চামু চিবাবা। পঞ্চম ওভারে হারিস রউফ ফিরিয়ে দেন ব্রেন্ডন টেলরকে (২০)। দুই উইকেটে ৩৪ রানে পরিণত হওয়া জিম্বাবুয়ের ইনিংসটা এরপর আবর্তিত হয়েছে ওয়েসলি মাধেবেরেকে ঘিরে। ওয়ানডে সিরিজে আলো ছড়ানো অফস্পিনিং অলরাউন্ডার ৪৮ বলে অপরাজিত ৭০ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলে জিম্বাবুয়েকে দেন ১৫৬ রানের পুঁজি। নয়টি চারের সঙ্গে একটি ছক্কা মেরেছেন মাধেবেরে। মাধেবেরের পাশে শন উইলিয়ামস করেছেন ২৫ রান ও ঝড়ো গতিতে এল্টন চিগুম্বুরা ২১।
১৫৬ রান তাড়ায় দারুণ শুরু করেন দুই ওপেনার ফখর জামান ও বাবর আজম। চার ওভারেই ৩৬ রান তুলে ফেলেন তারা। পেসার ব্লেজিং মুজারাবানির শিকার হয়ে ফখর ফেরার ২৬ রান পরে আরেক পেসার রিচার্ড নেগারাভা ফেরান হায়দার আলীকে। এরপর দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন অধিনায়ক বাবর । ৫৫ বলে ৯ চার ও ১ ছক্কায় ৮২ রানে পেসার টেন্ডাই চাতারার বলে যখন ক্যাচ হন, জয়ের জন্য পাকিস্তানের দরকার মাত্র ১৪ রান। এ কয়টি রান তুলতে গিয়েই স্কোরে সমতা থাকা অবস্থায় মুজারাবানির বলে বোল্ড মোহাম্মদ হাফিজ (৩৬)। বাকি রানটির জন্য স্নায়ুর পরীক্ষা দিতে হয়নি পাকিস্তানকে। আগামীকাল রাওয়ালপিন্ডিতেই দ্বিতীয় ম্যাচ, আর ১-০ এগিয়ে যাওয়া আগামীকালই তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজটি জিতে নিতে পারে বাবরের দল।