ফিফা উইন্ডোতে নিয়মিত ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ: কাজী নাবিল

সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছেন বাফুফের সহ-সভাপতি ও জাতীয় টিমস কমিটির চেয়ারম্যান কাজী নাবিল আহমেদ।করোনাভাইরাসের প্রভাবে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারশনের (বাফুফে) নিয়মিত সব আয়োজনই বাধাগ্রস্ত হয়েছে। তার পরেও বর্তমান পরিস্থিতিতে ফুটবল মাঠে ফিরিয়ে আনার জন্য কাজ করে যাচ্ছে বাফুফে। এর মধ্যে মেয়েদের লিগ ও জেএফএ কাপ ফুটবল চলছে। সামনে নেপালের বিপক্ষে দুটি আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ দিয়ে আবারও মাঠের লড়াইয়ে ফিরছে বাংলাদেশ। ফিফা উইন্ডোর (নির্দিষ্ট সূচি) মধ্যেই ম্যাচ ‍দুটি হবে আগামী ১৩ ও ১৭ নভেম্বর। আগামীতেও ফিফার নির্দিষ্ট সূচিতে বাংলাদেশ নিয়মিত ম্যাচ খেলবে বলে জানিয়েছেন, বাফুফের সহ-সভাপতি ও জাতীয় টিমস কমিটির চেয়ারম্যান কাজী নাবিল আহমেদ।

জাতীয় টিমস কমিটির প্রথম সভা হয়েছে মঙ্গলবার। সেখানে পরিচিতি পর্ব ছাড়াও বর্তমান ও আগামী দিনে জাতীয় দলের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়ে আলোচনা হয়েছে। চতুর্থবারের মতো বাফুফের সহ-সভাপতি নির্বাচিত কাজী নাবিল সভা শেষে সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘আমাদের পরবর্তী ফিফা উইন্ডো রয়েছে আগামী মার্চে। সেখানে আমরা সাত দিন সময় পাবো। এর পর জুনে ১৫ দিনের সময় আছে। সবগুলো উইন্ডো আমরা কাজে লাগাবো। তাই খেলার জন্য আরও একটি দেশের সঙ্গে কথা চলছে। যাতে এই উইন্ডোগুলোতে ম্যাচ খেলা যায়।’

আগামী ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে কাতারের বিপক্ষে অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলার কথা আছে বাংলাদেশের। ফিফা থেকে অনুমতি পেলে বাংলাদেশের সেই ম্যাচে খেলতে কোনও আপত্তি নেই। কাজী নাবিলও বললেন সেই কথা, ‘কাতারের বিপক্ষে খেলা হতে পারে। যেহেতু তাদের বিপক্ষে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচ বাকি আছে। সেক্ষেত্রে তারা আগামী দুয়েকদিনের মধ্যে ফিফা থেকে অনুমতি পেলে আমরা নেপাল ম্যাচের পর সেখানে ম্যাচ খেলে আসতে পারবো। আমরা মৌখিক সম্মতিও দিয়ে রেখেছি।’

কাতারে কোয়ারেন্টিনে থেকে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচও খেলার পরিকল্পনা আছে বাফুফের। বাফুফে সহ-সভাপতি আরও বলেছেন, ‘আমাদের সেখানে দুটি ম্যাচ খেলার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রথমে একটি ম্যাচ থাকলেও পরে দুটি হয়েছে। দুটি দলই কাতারের লিগে খেলে।’

সাম্প্রতিক সময়ে জাতীয় দলের ম্যানেজার রাখা নিয়েও আলোচনা কম হচ্ছে না। তবে নেপালের বিপক্ষে দুটি ম্যাচে ম্যানেজার না রাখার আভাস দিয়েছেন কাজী নাবিল, ‘ম্যানেজারের বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। আমরা এই ম্যাচ দুটিতে ম্যানেজার নাও রাখতে পারি। বিষয়টা এখনও ঝুলে আছে। সভাপতি ও বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত হতে পারে।’

এদিকে বাংলাদেশ-নেপাল ম্যাচে সবকিছুই পরখ করে দেখার লক্ষ্য বাফুফের। বাফুফে সহ-সভাপতি তাই বলেছেন, ‘ফুটবল একার খেলা নয়। দলীয় খেলা। ৬ থেকে ৮ সপ্তাহ লাগে পুরোপুরি ফিটনেসে আসতে। আমরা ও আমাদের প্রতিপক্ষ একই পজিশনে আছি। সবকিছু দেখতেই এই ম্যাচ দুটি আয়োজন। হার-জিত না শুধু, নিজেদেরও পরখ করে দেখার বিষয় আছে।’