আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকালে দল ঢাকা ছাড়ছে। তার আগে দলের অভিজ্ঞ গোলকিপার আশরাফুল ইসলাম রানা আত্মবিশ্বাসী। এই আত্মবিশ্বাসের ভিত্তিভূমি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ভারতের সেখানে (দোহাতে) গিয়ে মাঠে ড্র করে আসা ম্যাচটি! ঢাকায় বাংলাদেশ ২-০ গোলে হেরেছিল কাতারের কাছে। এবার অ্যাওয়ে ম্যাচটি আরও কঠিন হবে। তা মানছেন রানা, ‘আমাদের অ্যাওয়ে ম্যাচ। এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন ওরা। ওদের হোমে খেলা হবে। ওরা আমাদের ওপর প্রাধান্য বিস্তারের চেষ্টা করবে। আমাদের একটাই লক্ষ্য ভালোভাবে লড়াই করা। আমাদের সেই চ্যালেঞ্জ নিতে হবে। আমাদের দুই সপ্তাহ সময় আছে কাজ করার। আমরা নেপালের বিপক্ষে দুটি ম্যাচ খেললাম। অনেকদিন পর। আমাদের যে সমস্যাগুলো আছে, সেটা কাটানোর জন্য কোচ কাজ করবে। মানসিকভাবে তৈরি হচ্ছি কাতারের সঙ্গে যাতে ভালো ম্যাচ খেলতে পারি।’
গত অক্টোবরে কাতারের মাঠে গিয়ে ভারত গোলশূন্য ড্র করেছে। বাংলাদেশের কাছে এটা একটা উদাহরণ । গোলকিপার রানা অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ‘অবশ্যই আমরা রোমাঞ্চিত। কাতার ২০২২ বিশ্বকাপের স্বাগতিক। যে স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের খেলা হবে, সেখানে খেলবো। ভারত তাদের মাঠে গিয়ে ড্র করেছে তাদের সঙ্গে। আমাদের খেলোয়াড়দের মধ্যে সেই কমিটমেন্ট আছে। যদি ভারত তাদের সঙ্গে ড্র করতে পারে তাহলে আমরা কেন পারবো না?আমরা সেরাট দেবো। ভালো খেলার চেষ্টা করবো, ভালো ফল করার জন্য।’
কাতারের সঙ্গে ড্র করা ম্যাচে ভারতের গোলকিপার গুরুপ্রীত সিংয়ের ওপর দিয়ে ঝড় বয়ে গেছে। তাই অনুমিতভাবেই বাংলাদেশের ওপর দিয়ে ঝড় যাবে। বিশেষ করে গোলকিপারের ওপর দিয়ে। রানা চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত, ‘আমরা যারা গোলকিপার হিসেবে খেলি, তাদের বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ নিতে হয়। ডিফেন্ডারদের জন্যও বড় চ্যালেঞ্জ হবে। কাতার অনেক ভালো দল। সেরকম ম্যাচের প্রস্তুতি আমাদের থাকবে। ওরা ডমিনেট করবে। আমাদের প্রস্তুতি সেভাবে নিতে হবে। লড়াই করার জন্য।’
অনেকদিন পর নেপালের বিপক্ষে সিরিজ দিয়ে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ। ম্যাচ দুটির মূল্যায়ন করতে গিয়ে রানা বলেছেন, ‘নেপাল ম্যাচের আগে তিন সপ্তাহ কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। নিজেদের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। নেপালও তাই। আমাদের মধ্যে অনেক জড়তা ছিল। অনেক দিন পর খেলতে নেমেছিলাম তাই। এখন যেই সব জায়গা দুর্বলতা আছে সেটা নিযে কোচ আগামীতে কাজ করবে। দুই সপ্তাহ আছে। দুটি প্রস্তুতি ম্যাচও আছে।’