ইরানি-ইরাকি ফুটবলারদের প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশের সাদ

সাদ, বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে -ছবি: এএফসিসাদ উদ্দিনের সময়টা দারুণ যাচ্ছে। সেই যে গত বছর বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ভারতের বিপক্ষে দুর্দান্ত এক গোলে নিজেকে মেলার ধরার শুরু, সেটি এখনও বহমান। সেদিন ঢাকায় মুজিববর্ষ আন্তর্জাতিক সিরিজের প্রথম ম্যাচে নেপালের বিপক্ষে দারুণভাবে গোল বানিয়ে দিয়েছেন। দুই ডিফেন্ডারকে ডজ দিয়ে এই উইঙ্গারের বাড়ানো বলে নাবীব নেওয়াজ জীবন গোল করেছেন। নেপালের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচেও খারাপ করেননি। সব মিলিয়ে তার পারফরম্যান্স বাংলাদেশ জাতীয় দল ও আবাহনী লিমিটেডের এই ফুটবলারকে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) সপ্তাহসেরা ১০ খেলোয়াড়ের একজন হিসেবে বিবেচনায় এনেছে।

নভেম্বরে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ হয়েছে অনেক। সেখান থেকে এএফসি এশিয়ার শীর্ষ অন্য দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের সাদকেও প্রাথমিক বাছাইয়ে এনেছে। এএফসির পর্যবেক্ষণে নেপালের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে সাদের ৯২ শতাংশ পাসই সঠিক ছিল। সাদ ছাড়াও সপ্তাহসেরার তালিকায় আছেন ইরাকের মোহানাদ আলি ও ইব্রাহিম বায়েস, ইরানের কাভি রিজিহ ও ভাহিদ আমিরি, সৌদি আরবের আবদুল্লাহ আল হামাদান, আরব আমিরাতের আলি মাবকুত, বাহরাইনের মোহামেদ আল রোমাইহি, দক্ষিণ কোরিয়ার হুয়াং জু ও জর্ডানের মৌসা আল তামারি। আগামী ২১ নভেম্বর পর্যন্ত এএফসির ওয়েবসাইটে সমর্থকদের ভোটে নির্বাচিত হবেন সপ্তাহের সেরা ফুটবলার। তবে এরইমধ্যে ইরাকের মোহাম্মদ আলী অনেক ব্যবধানে এগিয়ে আছেন। সাদ আছেন চতুর্থ অবস্থানে। তাই কাতার যাওয়ার আগে সাদ নিজের ফেসবুকে সমর্থকদের ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে গেছেন।

এর আগে এএফসি কাপের দশকসেরা ১৬ এর গোলের তালিকায় থেকে বাংলাদেশের সোহেল রানা হেরে গেছেন মালদ্বীপের আলী আশফাকের কাছে। শেষ আটে উঠতে পারেননি এই মিডফিল্ডার।