ওই সময় করোনায় আক্রান্ত ছিলেন মাহমুদউল্লাহ। ফলে তাকে শুরু থেকে পাওয়া নিয়ে সংশয়ে ছিল রাজশাহীর টিম ম্যানেজমেন্ট। ঠিক এই কারণে মাহমুদউল্লাহকে পেয়েও তাকে ছেড়ে দেয় উত্তরবঙ্গের দলটি। দলটির কোচ সারোয়ার ইমরান বৃহস্পতিবার সংবাদমাধ্যমের কাছে বলেছেন, ‘মাহমুদউল্লাহ আমাদের পরিকল্পনায় ছিল। সাকিব আল হাসানকেও নেওয়ার ইচ্ছা ছিল। মুশফিক ছিল দুই নম্বরে, তামিম তিনে আর মাহমুদউল্লাহ চার নম্বরে। কিন্তু মাহমুদউল্লাহর তখন করোনা ছিল। খেলা যে ২৪ নভেম্বর শুরু হবে, এমন খবর আমাদের জানা ছিল না। আমাদের ধারণা ছিল ২০ বা ২২ নভেম্বর শুরু হবে। সেক্ষেত্রে সে কবে সুস্থ হবে, কোনদিন মাঠে খেলতে নামবে.. এসব নিয়ে ভাবতে হয়েছিল। আমরা যদি কাউকে দলে নিয়ে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত খেলাতে না পারি, তাহলে বিরাট ক্ষতি। মাহমুদউল্লাহ আমাদের পরিকল্পনায় থাকলেও করোনার কারণেই ওকে ডাকা হয়নি।’
প্রসঙ্গত, ১২ নভেম্বর ঢাকার একটি স্থানীয় হোটেলে অনুষ্ঠিত প্লেয়ার্স ড্রাফটে লটারিতে প্রথম ডাকের সুযোগ পায় বেক্সিমকো ঢাকা। শুরুতে তারা দলে নেয় মুশফিকুর রহিমকে। এর পর জেমকন খুলনা নেয় সাকিবকে। তৃতীয় ডাকে ওয়ানডে অধিনায়ক তামিম ইকবালকে নেয় ফরচুন বরিশাল। চতুর্থ ডাক ছিল গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামের। তারা নেয় মোস্তাফিজুর রহমানকে। এর পরই পঞ্চম ডাকে মাহমুদউল্লাহকে না নিয়ে রাজশাহী নেয় সাইফ উদ্দিনকে। অবশ্য এই সুযোগটি পরে কাজে লাগিয়েছে জেমকন খুলনা। তারা দ্বিতীয় রাউন্ডে দলে ভেড়ায় মাহমুদউল্লাহকে।