দুই তারকা এখন পর্যন্ত মুখোমুখি হয়েছেন ৩৫ ম্যাচে। যাদের প্রথম লড়াইটা এই চ্যাম্পিয়নস লিগেই ২০০৭-০৮ মৌসুমে! রোনালদো তখন খেলছিলেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে। সেমিফাইনালে দুই দলের প্রথম লেগটা ছিল গোল শূন্য। দ্বিতীয় লেগেও গোল পায়নি এই দুজনের কেউ। পল স্কোলসের গোলেই ম্যানইউ ১-০ গোলে জিতে জায়গা করে নিয়েছিল ফাইনালে।শিরোপাও জিতেছিল তারা।
এর পর দুই তারকার সবচেয়ে বড় পর্যায়ের লড়াইটাও এই ইউরোপিয়ান টুর্নামেন্টেই! ২০০৮-০৯ মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে ম্যানইউর হয়ে সর্বশেষ ম্যাচ খেলতে নেমেছিলেন রোনালদো। সেই ম্যাচে ম্যানইউকে ২-০ গোলে হারিয়েই শিরোপা উঁচিয়ে ধরেছিলেন মেসিরা। রোনালদোকে শিরোপা বঞ্চিত করা ম্যাচটায় দ্বিতীয় গোলটি এসেছিলে মেসির পা থেকেই। যে ম্যাচের পর রোনালদো পাড়ি জমিয়েছিলেন রিয়ালে।
তার পর থেকেই দুজনের মুখোমুখি লড়াইয়ে এগিয়ে আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসিই। চ্যাম্পিয়নস লিগ তো বটেই, সব মিলে ৩৫ ম্যাচে মেসি জিতেছেন ১৬টি ম্যাচ, রোনালদো ১০টিতে। ইউরোপিয়ান টুর্নামেন্টেও দুই জনের মুখোমুখি লড়াইয়ে মেসির দল জিতেছে ২ বার, ড্র দুটি আর হার একটিতে।
তবে একটি জায়গায় রোনালদোর চেয়ে বেশ পিছিয়ে মেসি। চ্যাম্পিয়নস লিগের সর্বোচ্চ স্কোরারের তালিকায় ১৩০ গোল নিয়ে অনেক এগিয়ে পর্তুগিজ যুবরাজ। সেখানে মেসির গোল ১১৫টি!
অবশ্য সাম্প্রতিক ফর্ম বিবেচনায় নিলে এগিয়ে থাকবেন জুভেন্টাস প্রাণভোমরা। মেসি যেখানে ১০ ম্যাচে ৪টি গোল করেছেন, সেখানে অপ্রতিরোধ্য গতিতে ছুটছেন পর্তুগিজ যুবরাজ। ৬ ম্যাচে করেছেন ৮ গোল।