দুই সেরার দ্বৈরথে জয়ী রোনালদো

দীর্ঘদিন পর রোনালদো-মেসির মিলন। লা লিগায় হতাশার বৃত্তে থাকলেও বার্সেলোনার স্বস্তির জায়গা ছিল চ্যাম্পিয়নস লিগ। গতকাল রাতে সেই চ্যাম্পিয়নস লিগই হতাশা বাড়িয়ে দিয়েছে আরও। দুই কিংবদন্তি ফুটবলার মেসি-রোনালদোর দ্বৈরথের দিনে জুভেন্টাসের কাছে ৩-০ গোলে বিধ্বস্ত হয়েছে বার্সেলোনা। যে জয় এতদিন দুর্দান্ত খেলা বার্সাকে বানিয়ে দিয়েছে রানার্স আপও। উল্টো ‘জি’ গ্রুপ থেকে গোল ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় গ্রুপ জয়ী হয়ে শেষ ষেলোয় যাচ্ছে জুভেন্টাস। ৬ ম্যাচে জুভেন্টাসের সংগ্রহ ১৫। বার্সেলোনারও সমান ১৫ পয়েন্ট। 

প্রথম লেগে রোনালদো ছিলেন না বলেই মেসি-রোনালদোর বহু আকাঙ্ক্ষিত দ্বৈরথটা দেখা যায়নি। তবে ন্যু ক্যাম্পে সেই দ্বৈরথটাই দেখা গেলো দুই বছর পর। মাঠে নামার পর নিজেদের জড়িয়ে অভিবাদন জানাতে ভুলেননি সময়ের সেরা দুই ফুটবলার। তবে পারফরম্যান্সের বিচারে মেসি গোল বঞ্চিত থাকলেও দুই গোল করে ঠিকই ম্যাচটা নিজেদের করে নিতে সক্ষম হয়েছেন পর্তুগিজ যুবরাজ। দারুণ সূচনা করা জুভেন্টাস গোলের দেখা পেয়েছে ১৩ মিনিটেই। ডি বক্সে রোনালদোকে ফেলে দিয়েছিলেন আরাহো। রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজালে জাল কাঁপাতে ভুল করেননি পর্তুগিজ যুবরাজ।

ম্যাচের সবচেয়ে দর্শনীয় গোলটি হয়েছে এর পরেই। ২০ মিনিটে জালের কাছে থাকা ম্যাকেনিকে ভাসানো বল দিয়েছিলেন কুয়াদ্রাদো। বাইসাইকেল কিকে জালে বল পাঠিয়ে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের এই মিডফিল্ডার। গোলটি করে ইতিহাসেও নাম লিখিয়েছেন তিনি। ন্যু ক্যাম্পে এই প্রথম গোল করলেন কোনও যুক্তরাষ্ট্রের তারকা।

বার্সা এর পর জবাব দেওয়ার চেষ্টা করেছিল যদিও। কিন্তু মেসির শট দারুণভাবে সেভ করেছেন জুভেন্টাস গোলকিপার।

বিরতির পর কোম্যান একটি পরিবর্তন এনেও খেলার গতি প্রকৃতি পাল্টাতে পারেননি। ত্রিনকাওর জায়গায় নেমেছিলেন ব্র্যাথওয়েট। বরং ৫২ মিনিটে আরেকটি পেনাল্টিতে কপাল পোড়ে বার্সেলোনার। বিপজ্জনক এলাকায় হ্যান্ড বল করেছিলেন লংলে। রেফারি ভার রিভিউ দেখেই পেনাল্টির সিদ্ধান্ত নেন। স্পট কিক থেকে জোড়া গোল করতে ‍ভুল করেননি রোনালদো।