ন্যু ক্যাম্পে বার্সেলোনা বল নিয়ে আধিপত্য বিস্তার শুরু করেছিল যদিও। প্রথম স্কোরের সুযোগটা পেয়েছিল লেভান্তেই। কিন্তু বার্সা গোলকিপার আন্দ্রে টের স্টেগেন ত্রাতা বনে যাওয়ায় গোল আর হয়নি। কিছুক্ষণ পর বার্সাও সুযোগ পেয়েছিল গোল করার। আন্তোয়ান গ্রিজমানের হেড সেভ করে দিয়েছেন এইতর ফার্নান্দেজ। বার্সার আক্রমণের দূরাবস্থা অব্যাহত থাকে দ্বিতীয়ার্ধেও। তাই বেঞ্চে নজর দিতেই হয় কোম্যানকে। ঘণ্টা ব্যবধানে বুশকেৎজের বদলে মাঠে নামান পেদ্রিকে।
এর পরও দুই দলের মধ্যে বার্সাকেই সুযোগ তৈরি করতে দেখা গেছে বেশি। কিন্তু পরিণতি পাচ্ছিলো না একটিও। পরবর্তী বদলি হিসেবে মাঠে নামেন ত্রিনকাও। তাতেও লেভান্তের রক্ষণ ভঙ্গ করতে পারছিল না বার্সা। শেষ পর্যন্ত ব্র্যাথওয়েট ও ডি ইয়ংয়ের কঠোর প্রচেষ্টার ফলেই গোলের সুযোগ পেয়ে যায় বার্সা। ৭৬ মিনিটে লেভান্তের অর্ধে ডি ইয়ং খুঁজে পেয়েছিলেন মেসিকে। আর্জেন্টাইন তারকার নেওয়া দুর্দান্ত শট পোস্টের ভেতরে লেগে জড়িয়ে যায় জালে।
এই জয় টেবিলে আটে উঠিয়ে দিয়েছে বার্সাকে। ১১ ম্যাচে যাদের সংগ্রহ এখন ১৭ পয়েন্ট। শীর্ষে থাকা রিয়াল সোসিয়েদাদ ও আতলেতিকো মাদ্রিদের চেয়ে ব্যবধান এখনও ৯ পয়েন্টের।