এই ম্যাচে জিতলে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থেকে ৫ পয়েন্টের ব্যবধান রাখতে পারতো লিভারপুল। সেটি করার লক্ষ্যে ম্যাচের শুরুতে সূচনা ভালোই ছিল তাদের। ১২ মিনিটে জোয়েল মাতিপের ক্রস বুক দিয়ে নামিয়ে অসাধারণ শটে জাল কাঁপান সাদিও মানে।
এর পর আধিপত্য বিস্তার করে খেললেও সুযোগগুলো ঠিকভাবে কাজ লাগাতে পারেনি লিভারপুল। তার পরেও অ্যান্ডি রবার্টসন ও ট্রেন্ট অ্যালেক্সান্ডার ত্রাস ছড়িয়েছেন প্রতিপক্ষের বক্সে। লিভারপুলের প্রথমার্ধেই পজেশন ছিল ৮৭ শতাংশ। এর পরেও হতাশ হতে হয়েছে তাদের। ধীরে ধীরে পরিস্থিতি পাল্টায় দ্বিতীয়ার্ধে। তাদের ওপর ত্রাস ছড়াতে থাকে ওয়েস্টব্রম। বিশেষ করে ৫৯ মিনিটে মাতিপ খুঁড়িয়ে মাঠ ছাড়লে সুযোগ আরও বেশি পেয়ে যায় সফরকারীরা। ৮২ মিনিটে অবশেষে সমতা ফেরায় ওয়েস্টব্রম। আজাইয়ির হেডে স্কোর হয়ে যায় ১-১।
এর পর ৯০ মিনিটে লিভারপুলকে জেতানোর শেষ সুযোগ পেয়েও সেটি হাতছাড়া করেছেন রবার্তো ফিরমিনো। পয়েন্ট টেবিলে ১৫ ম্যাচে ৩২ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে লিভারপুল। সমান ম্যাচে ২৯ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে রয়েছে এভারটন।
আরেক ম্যাচে ৫৭ সেকেন্ডে গোল করে এগিয়ে গিয়েও বাকি সময় রক্ষণাত্মক কৌশল অবলম্বন না করায় উলভারহাম্পটনের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছে টটেনহাম। শুরুতে টটেনহামকে এগিয়ে দিয়েছিলেন এনডোম্বেলে। ৮৬ মিনিটে উলভারহ্যাম্পটনকে সমতায় ফেরান সেইস।
এই ড্রয়ের পর পাঁচে উঠে গেছে স্পাররা। ছয়ে নেমে গেছে ম্যানসিটি। টটেনহামের পয়েন্ট ২৬। সিটিরও সমান পয়েন্ট। কিন্তু গোল ব্যবধানে পিছিয়ে থাকায় নেমে গেছে তারা।