মোট ৮০ টি দলের ১৬০ জন গোলকিপারের বিপক্ষে মেসি করেছেন এই ৬৪৪ গোল। বিয়ার প্রস্তুতকারক কোম্পানি বাডউইজার মেসির এই রেকর্ডকে স্বীকৃতি দিয়েছে অভিনবভাবে। কোম্পানিটি সব গোলকিপারকে প্রতিটি গোলের জন্য একটি করে বিয়ার উপহার দিয়েছে গত বড়দিনে।
কিন্তু এতে কিছুই এসে যায় না সান্তোসের। ব্রাজিলিয়ান ক্লাবটি বলেছে, পেলের রেকর্ড ভাঙতে হলে বার্সেলোনার জার্সিতে মোট ১০৯২ গোল দেখাতে হবে মেসির। রবিবার সান্তোস মেসির রেকর্ড ও সান্তোসের হয়ে পেলের গোলসংখ্যা নিয়ে বিশাল এক প্রতিবেদন করেছে। ক্লাবের ওয়েবসাইটে গবেষক ও ইতিহাসবিদদের সংস্থা দাবি করেছে পেলের রেকর্ড ভাঙতে গেলে মেসির নামের পাশে থাকতে হবে আরও ৪৪৮ গোল। কারণ প্রতিযোগিতামূলক গোলের বাইরেও পেলে প্রীতি ম্যাচ ও টুর্নামেন্ট মিলিয়ে করেছেন আরও ৪৪৮ গোল, সব মিলিয়ে তার গোলসংখ্যা ১০৯১।
ক্লাবের ইনস্টাগ্রাম পেজে শুরুতেই বলা হয়েছে, ‘গত কয়েকদিন ধরে সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক কথা হচ্ছে এ নিয়ে যে সান্তোসের জার্সিতে পেলে আসলে কত গোল করেছেন। কিছু পরিসংখ্যান অনুযায়ী আর্জেন্টাইন লিওনেল মেসি (বার্সেলোনা) একটি ক্লাবের হয়ে সর্বোচ্চ গোল করার রেকর্ড। প্রীতি ম্যাচ বাদে কাতালান ক্লাবটির হয়ে ৬৪৪ গোল করেছেন তিনি, অনেকের দাবি অনুযায়ী যা প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচের গোল।’
সান্তোসের ইনস্টাগ্রাম পোস্টটা আরও বড়, ‘বার্সেলোনার নাম্বার টেন-কে এরইমধ্যে অভিনন্দনও জানিয়েছেন পেলে, “একই ক্লাবে এত লম্বা সময় ধরে খেলা আমাদের দু’জনের গল্পটা দু:খজনকভাবে ফুটবলে বিরল হয়ে উঠতে চলেছে।” কিন্তু সংবাদমাধ্যম ক্লাবের হয়ে গোলের সর্বকালের সের রেকর্ড থেকে অনেক কিছু বাদ দিয়েছে। সান্তোসের জার্সি গায়ে পেলে করেছেন ১০৯১ গোল। সংবাদমাধ্যমের ভাষ্যমতে ফুটবল সম্রাট (ও রেই) প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে ৬৪৩ গোল করেছেন। আর প্রীতি টুর্নামেন্ট ও ম্যাচগুলোতে করা ৪৪৮ গোল বাদ দিয়েছে, বিষয়টা এমন যেন এই গোলগুলোর মূল্য নেই।’
সান্তোসের দাবি এ গোলগুলোও বাদ দেওয়ার কোনও কারণ নেই, ‘যে ৪৪৮টি গোল বাতিল বলে ধরা হয়েছে, সেগুলো সেই সময়ের সেরা দল ও ক্লাবের বিপক্ষেই করা হয়েছে। মেক্সিকোর ক্লাব আমেরিকা ও চিলির কোলো কোলোর মতো দল পেলের কাছে ৯ গোল খেয়েছে। ১৯৬০-এর দশকে ইউরোপের অন্যতম সেরা ক্লাব ইন্টার মিলানের বিপক্ষে ৮ গোল করেছেন ফুটবল সম্রাট। এই তালিকাটা অনেক লম্বা যেমন: রিভার প্লেট, বোকা জুনিয়র্স, রেসিং, ইউনিভার্সিদাদ ডি চিলি, রিয়াল মাদ্রিদ, জুভেন্টাস, লাৎসিও, নাপোলি, আন্ডারলেখট ও বেনফিকা। এমনকি মেসির ক্লাব বার্সেলোনার বিপক্ষেও পেলে চার ম্যাচে চারটি গোল করেছেন।’