শুক্রবার জোহানেসবার্গের নিউ ওয়ান্ডারার্স স্টেডিয়ামে ৪৭ ওভার ৫ বলে ২৬২ রানে অলআউট হয়ে যায় ইংল্যান্ড। জবাবে ৪৭ ওভার ২ বলে ৯ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। আগামী রবিবার কেপ টাউনে সিরিজের পঞ্চম ও শেষ ওয়ানডে অনুষ্ঠিত হবে।
এদিকে টানা দুই ম্যাচে ইংল্যান্ডের পক্ষে শতক করেও জয়ের মুখ দেখতে পেলেন না জো রুট। তবে ক্রিস মরিসের ব্যাটিং বীরত্বে নাটকীয় জয় পেয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা।
দশম ব্যাটসম্যান কাইল অ্যাবটকে (৩*) সঙ্গে ৫২ রানের দারুণ এক জুটিতে দক্ষিণ আফ্রিকার হার এড়ান মরিস। ৩০ বলে অর্ধশতক করে এই অলরাউন্ডারই ব্যবধান গড়ে দেন ম্যাচে।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ষষ্ঠ ওভারে জেসন রয়কে হারায় ইংল্যান্ড। তবে আলেক্স হেলসের সঙ্গে রুটের ৬৯ রানের জুটিতে প্রতিরোধ গড়ে অতিথিরা। এক সময়ে দলটির স্কোর ছিল ১ উইকেটে ৮৭ রান। তাহির, অ্যাবটের মারাত্মক বোলিংয়ে ২১ রান যোগ করতে পাঁচ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে দলটি।
১০৮ রানে ৬ উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। ক্রিস ওকসের (৩৩) সঙ্গে ৯৫ রানের জুটিতে দলের সংগ্রহ দুইশ’ পার করেন তিনি রুট। সিরিজে টানা দ্বিতীয় শতক পাওয়া এই টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান সাজ ঘরে ফিরেন ১০৯ রান করে।
ক্যারিয়ারের অষ্টম শতক পাওয়া রুটের ১২৪ বলের ইনিংসটি সাজানো ১০টি চার ও একটি ছক্কায়। শেষের দিকে ২৬ বলে ৩৯ রানের ঝড়ো ইনিংসে ইংল্যান্ডের সংগ্রহ আড়াইশ’ পার করেন রশিদ।
৪৫ রানে ৪ উইকেট নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার সেরা বোলার কাগিসো রাবাদা। লেগ স্পিনার তাহির তিন উইকেট নেন ৪৬ রানে।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই আমলাকে হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা পরের সাত ব্যাটসম্যানই পৌঁছান দুই অঙ্কে। মরিস ছাড়া আর কেউ অর্ধশতক পাননি, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৮ রান আসে ফারহাদ বেহারডিনের ব্যাট থেকে।
ডি কক (২১), ফাফ দু প্লেসি (৩৪), এবি ডি ভিলিয়ার্স (৩৪), ডেভিড ভিসে (২১) ফিরে যান উইকেটে থিতু হওয়ার আগেই। তাই এক সময়ে ২১০ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে ভীষণ বিপদে পড়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা।
সেখান থেকে প্রায় একাই দলকে জয় এনে দেন মরিস। ইংল্যান্ডের স্কোর ছোঁয়ার পর আদিল রশিদের বলে বোল্ড হয়ে শেষ হয় তার ৬২ রানের অসাধারণ ইনিংসটি।৩৮ বলে খেলা এই অলরাউন্ডারের ঝড়ো ইনিংসটি গড়া ৪টি ছক্কা ও ৩টি চারে।
মরিমের বিদায়ের পর চার মেরে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন ১১ নম্বর ব্যাটসম্যান ইমরান তাহির।
ইংল্যান্ডের রশিদ, রিস টপলি ও বেন স্টোকস দু’টি করে উইকেট নেন।
/এনএস/এমএসএম/