ইনিংসের তৃতীয় বলে শ্রীলঙ্কার দিলশান মুনাবীরাকে শূন্য রানে হারিয়ে বিপদে পড়ে বরিশাল। ফরহাদ রেজার বলটি ডাউন দ্য উইকেটে এস তুলে মারতে গিয়ে মিড অফে উমর আকমলের হাতে ধরা পড়েন মুনাবীরা। নিজের ও স্কোরকার্ডে কোথাও তখন কোনও রান নেই। ইংলিশ ওপেনার ডেভিড মালান ব্যাট বলে ভালোই সংযোগ করছিলেন, তবে তিনিও অতি আত্মবিশ্বাসী হয়ে খেলতে গিয়ে নিজের বিপদ ডেকে আনেন। ফরহাদ রেজার আউটসুইংগার মারতে গিয়ে ১৩ রানে হন কট বিহাইন্ড।
তবে দুই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান নাফিস ও মুশফিক দলকে আর কোনও বিপদে পড়তে দেননি। আগ্রাসী ব্যাটং করেন নাফিস, বলের লাইন ও লেন্থে কোনও ঘাটতি পেলেই সুযোগের যথাযথ সদ্ব্যবহার করে ৪১ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন। সামিট প্যাটেলকে তিন বলে দুটি ছক্কা মেরে অর্ধশতক রান পেরিয়ে যান এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। ১১.৫ ওভারে ১১২ রানের তৃতীয় এই উইকেট জুটিটি ভাঙেন ড্যারেন স্যামি। স্লোয়ার ডেলিভারিতে উইকেটরক্ষক সোহানের গ্লাভসে বল জমা দেন নাফিস, ৪৪ বলে চারটি চার ও সমান ছক্কার আক্রমণাত্বক ইনিংসটি শেষ হয় ৬৩ রানে।
মুশফিক কিন্তু তখনও অপরপ্রান্তে অবিচল, রাজশাহীর বোলারদের শাসন অব্যাহত রাখে তার ব্যাট। ৪০ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক। অর্ধশতক পূর্ণ করার পর আরও মারমুখী হয়ে ওঠেন তিনি, শেষ পর্যন্ত ৫২ বলে পাঁচটি চার ও ছারটি ছক্কায় ৮১ রানে অপরাজিত থাকেন।
ভালো ফিনিশিং দিয়েছেন থিসারা পেরেরা। ৭ বলে দুটি ছয়ে ১৭ রান করে শেষ বলে রান আউট হন।
/আরএম/এফএইচএম/