চাপহীন খেলতে নেমে কুমিল্লাকে ঝড়ো সূচনা দেন ওপেনার ইমরুল ও লতিফ। উদ্বোধনী জুটিতে ১০.৩ ওভারে আসে ৮৮ রান। এর মাঝে বেশি মারমুখী ছিলেন ইমরুল। ৩৫ বলে ৭টি চার ও ২টি ছক্কায় তিনি করেন ৫২ রান। তার চমৎকার ইনিংসটি শেষ হয় লিয়াম ডসনের চমৎকার প্রচেষ্টায়। আরাফাত সানিকে হাঁটু গেড়ে সুইপ করেছিলেন ইমরুল, ডিপ মিডউইকেটে দাঁড়ানো ডসন বল লুফে নেন, পেছন দিকে তাকিয়ে দেখেন পা ছুঁয়ে যাচ্ছে দড়ি, বল ওপর দিকে ছুড়ে মাঠের বাইরে চলে যান তিনি; আবার ফিরে এসে বল নিয়ে নেন হাতে। সাজঘরে ফেরা ছাড়া আর কোনও উপায় ছিল না ইমরুলের।
আরাফাত সানিই এরপর ফেরান অপর ওপেনার লতিফকে। সানিকে লফটেড অন ড্রাইভ করেছিলেন লতিফ। টাইমিংয়ের হেরফেরে বল পায়নি প্রত্যাশিত গতি। মিড অনে শহীদ আফ্রিদি দ্বিতীয় প্রচেষ্টায় বল ধরে ৩৬ বলে তিনটি চার ও দুটি ছক্কায় ৪৩ রান করা লতিফকে ফিরিয়ে দেন।
অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা নেমেছিলেন বিগ হিট নিতে। পারেননি তিনি, ৭ বলে ১৭ রান করে তিনি আফ্রিদির বলে ডসনের হাতে ক্যাচ দেন। ওয়ান ডাউনে নামা মারলন স্যামুয়েলস খেলছিলেন তার স্বভাবসুলভ ধীরস্থির ধারায়। ২৪ বলে ২টি চারে ও ১টি ছক্কায় আশার জাইদির সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে তিনি হন রানআউট। জাইদি এর কিছুক্ষণ পরেই রুবেল হোসেনের ইয়র্কার লেন্থের বলে হন বোল্ড। ১১ বলে ১৭ ছিল তার সংগ্রহ।
লিটন দাসের ৬ ও রশিদ খানের অপরাজিত ১১ রানে শেষ ম্যাচে জয়ের মতো রানই স্কোরবোর্ডে জমা করেছে কুমিল্লা।
/আরএম/এফএইচএম/