২০০৫-০৬ সালের দিকে প্রিমিয়ার লিগে হ্যাটট্রিক করেছিলেন মোহাম্মদ শরীফ। যদিও লিস্ট 'এ' ক্রিকেটের তালিকাভুক্ত না হওয়ার কারণে রেকর্ডবুকে ওই হ্যাটট্রিকের অস্তিত্ব নেই।
২৯.৪ ওভার খেলা হওয়ার পর বৃষ্টির প্রায় আড়াই ঘণ্টা খেলা বন্ধ থাকে। তাতে করে ৩৮ (কার্টেল ওভারের) গড়ায় ম্যাচটি।
প্রথম স্পেলে ৫ ওভারে ৩২ রান দিয়ে উইকেটশূন্য ছিলেন শরীফ। দ্বিতীয় স্পেলে ফিরে মাহমুদউল্লাহকে সাজঘরে ফিরিয়ে শুরু করেন হ্যাটট্রিক মিশন। শেখ জামাল অধিনায়ক (৩০) ক্যাচ দেন সাঈদ আনোয়ার জুনিয়রের হাতে। পরের বলেই বোল্ড উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান জাবিদ হোসেন (১৩)। তার হ্যাটট্রিক ডেলিভারির মুখোমুখি হয়েছিলেন অভিজ্ঞ বাঁহাতি ব্যাটসম্যান নাজমুস সাদাত। তাকেও এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলে সাজঘরে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিক করেন শরীফ।
পরে ইনিংসের শেষ বলে শফিউল ইসলামকেও বোল্ড করে চারটি উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব দেখিয়েছেন তিনি। ৪৩ রানে নিয়েছেন ৪ উইকেট নিয়ে শেখ জামালের স্কোর ১৬৮ রানে আটকে রাখেন।
উল্লেখ্য, ৮৮টি লিস্ট ‘এ’ ম্যাচ খেলে মোহাম্মদ শরীফ ১৩৬টি উইকেট সংগ্রহ করেছেন। যার মধ্যে ৫ বার চার উইকেট এবং ৬ বার পাঁচ উইকেট নিয়েছেন।
এর আগে ঢাকা লিগে গাজী ট্যাংকের (বর্তমানে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ) রুবেল হোসেন বিকেএসপিতে ব্রাদার্সের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করেছিলেন ২০১৩ সালে। একই বছর বগুড়াতে তাপস বৈশ্য প্রাইম ব্যাংকের হয়ে হ্যাটট্রিক করেছিলেন কলাবাগান ক্রীড়াচক্রের বিপক্ষে।
/আরআই/এমআর/