ভারতীয় এক পত্রিকাকে শাস্ত্রী এ প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘এ বিষয়ে আমি আসলে বিরক্ত না, হতাশ হয়েছি। কারণ সাক্ষাৎকারপ্রার্থীর প্রতি সে অসম্মান দেখিয়েছে। এমনটি করে সে নিজের দায়িত্বের প্রতিও অসম্মান করেছে।’
এসময় গাঙ্গুলীকে উপদেশ বাণীও দিয়েছেন শাস্ত্রী। বলেছেন, ‘কখনও এমন বড় পদের জন্য কারও সাক্ষাৎকার নিলে অবশ্যই তার সামনে থাকা উচিত।’
উল্লেখ্য, অনিল কুম্বলে কোচ হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর নিজেকে এই পদের জন্য যোগ্য হিসেবেই মন্তব্য করেছিলেন শাস্ত্রী।
/এফআইআর/