তিনি আরও যোগ করে বলেন, ‘এটা সত্যি যে এমন পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা ইস্যু নিয়ে আমাদের মাঝে আলোচনা হচ্ছে। বিশেষ করে এমন পরিস্থিতে যেখানে সফর করা হবে সেখানকার বিষয়গুলো নজরেই থাকে।’
বাংলাদেশের সার্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষণে এসেছেন ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) নিরাপত্তা উপদেষ্টা রেগ ডিকাসন, প্রফেশনাল ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান নির্বাহী ডেভিড লিথারডেল এবং ইসিবির ক্রিকেট অপারেশন্সের পরিচালক জন কার।
আর নিরাপত্তা দলটির সদস্য রেগ সম্পর্কে আস্থা রয়েছে অ্যান্ডারসনের। তার মতে, ‘রেগ দুর্দান্ত তার নিজের পেশায়। গত ১০ বছর ধরেই আমাদের ভালোটা সে দেখে এসেছে। সঙ্গে ডেভিডও রয়েছে। তারা ফিরলেই তাদের কাছ থেকে একটা ভালো জবাব পাওয়া যাবে।’
কঠিন পরিস্থিতে আগেও মুখোমুখি হয়েছেন অ্যান্ডারসন। বিশেষ করে ২০০৩ সালে বিশ্বকাপে জিম্বাবুয়ে সফরে যায়নি ইংল্যান্ড। যেই স্কোয়াডে ছিলেন তিনি। ওই সময় রবার্ট মুগাবের অধীনে থাকা দেশটির রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণেই এমনটি হয়েছিল।
এমনকি ২০০৮ সালে মুম্বাইয়ে সন্ত্রাসী হামলার পরে টেস্ট সিরিজ সম্পূর্ণ করতে ভারত ফিরে এসেছিল ইংল্যান্ড।
এ প্রসঙ্গে অ্যান্ডারসন আরও বলেন, ‘আমার মনে হয় পরিস্থিতি এখন আরও অন্যরকম। যখন জিম্বাবুয়ের ঘটনা ছিল তখন আমাদের নিরাপত্তার সম্পর্কিত কিছু ছিল না। রেগ যা এখন করছে সেটা আইসিসির সুপারিশেই এখন সম্ভব হচ্ছে। আমি নিশ্চিত যাদের ওই সময়ের অভিজ্ঞতা রয়েছে তারা চেষ্টা করবে। কিন্তু কেউ যদি সত্যিকার অর্থেই অস্বস্তিতে ভোগে তাহলে তারা বিষয়টি নিয়ে কোচ, অধিনায়ক এবং শীর্ষ পর্যায়ের কারও সঙ্গে কথা বলতে পারে।’
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে খেলার সময়েও প্রফেশনাল ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে এর সদস্যদের প্রতি একটি সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল। বাংলাদেশে সমূহ বিপদ থাকতে পারে বলে তারা জানিয়েছিল।
/এফআইআর/