সংক্ষিপ্ত সময়ের সফরে তারা জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম, এমএ আজিজ স্টেডিয়াম এবং চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের শীর্ষ স্থানীয় কর্তাদের সঙ্গে সিএমপি হেডকোয়ার্টারে বৈঠক করেন।
এসময় সঙ্গে ছিলেন বিসিবির ৭ সদস্যের প্রতিনিধি দল। পরিদর্শন শেষে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) ক্রিকেট অপারেশন্স পরিচালক জন কার বলেন, ‘আমরা এর আগেও আইসিসির ইভেন্টের জন্য চট্টগ্রামে এসেছি। আর আমরা জানি এখানে কী ধরনের সুযোগ-সুবিধা আছে।’
কার আরও বলেন, ‘আমরা ভারত সফর শেষেই এখানে এসেছি। কিন্তু নিরাপত্তার বিষয়ে এখনই কোনও মন্তব্য করতে চাই না। আমরা এখান থেকে গিয়েই ইংল্যান্ডে আমাদের বোর্ডে রিপোর্ট জমা দেবো।’
এ প্রসঙ্গে বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দীন চৌধুরী বলেন, ‘আমরা আমাদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত সব কিছুই তাদের কাছে উপস্থাপন করেছি। সঙ্গে লজিস্টিক সাপোর্টও রয়েছে। আর ইসিবি এখানকার সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে আগে থেকেই অবগত।’
ইসিবির সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে দাবি করে সিএমপি কমিশনার ইকবাল বাহার বলেন, ‘তারা আমাদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত যাবতীয় পরিকল্পনা দেখে সন্তুষ্ট। আর আমরা এখানে তাদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তাই দেবো। আমরা আশা করি, এই দল তাদের রিপোর্ট প্রদানের পরই ইংল্যান্ড বাংলাদেশ সফরে আসবে।’
এসময় বিসিবির সহ সভাপতি মাহবুব আনাম, বোর্ড পরিচালক এইচআই মল্লিক, ম্যানেজার (অপারেশন) সাব্বির আহমেদ, গ্রাউন্ডস অ্যান্ড ফ্যাসিলিটিস বিভাগের ন্যাশনাল ম্যানেজার সৈয়দ আব্দুল বাতেন উপস্থিত ছিলেন।
/এফআইআর/