তালিকা অনুসারে ২০১০ সালের জন্য মনোনীতরা হলেন সাঁতারু মাস্টার ওয়ারেন্ট অফিসার হারুন অর রশিদ ও নায়েক মো. তকবির হোসেন (মরণোত্তর), শুটার আতিকুর রহমান, অ্যাথলেট ফরিদ উদ্দিন খান চৌধুরী, মাহমুদা বেগম ও নেলী জেসমিন, স্পেশাল অলিম্পিকের অ্যাথলেট নিপা বোস, জিমন্যাস্ট দেওয়ান নজরুল ইসলাম, সংগঠক মিজানুর রহমান মানু (সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন) ও এএসএম আলী কবির (সভাপতি, বাংলাদেশ অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশন)। ২০১১ সালে সংগঠক হিসেবে জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারের জন্য আবাহনীর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছোট ভাই প্রয়াত শেখ কামাল মনোনয়ন পেয়েছেন। এছাড়া ক্রিকেটার খালেদ মাসুদ পাইলট, হকির জুম্মন লুসাই, জিমন্যাস্ট রওশন আরা ছবি, বক্সার সার্জেন্ট মো. কাঞ্চন আলী (অব.), কুস্তিগীর সুবেদার হাজী আশরাফ আলী, ভলিবল খেলোয়াড় হেলেনা খান ইভা, শরীর গঠনে রবিউল ইসলাম (ফটিক দত্ত), ক্রীড়া সংগঠক শহীদ শেখ কামাল, কুতুবউদ্দিন চৌধুরী আকসির ও আশিকুর রহমান মিকু মনোনয়ন পান।
২০১২ সালের জন্য পাঁচজন ফুটবলার, চারজন সংগঠক ও একজন করে অ্যাথলেট ব্যাডমিন্টন ও হকি খেলোয়াড় রয়েছেন। মনোনীতরা হলেন ফুটবলার মোহাম্মদ মহসীন, খুরশিদ বাবুল, আশীষ ভদ্র, আবদুল গাফফার, সত্যজিৎ দাস রুপু, হকি খেলোয়াড় আনম মামুনুর রশিদ, অ্যাথলেট ফিরোজা বেগম, ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় নাজিয়া আক্তার যুথি, শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রের সভাপতি নুরুল আলম চৌধুরী, আরচারি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক কাজী রাজীবউদ্দিন আহমেদ চপল এবং সালমা রফিক (মরণোত্তর)।
এ প্রসঙ্গে ক্রীড়া পরিষদের সচিব (যুগ্ম সচিব) অশোক কুমার বিশ্বাস বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণভাবেই এবারের অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হবে। আর এবারের অনুষ্ঠানটি ভিন্ন মাত্রাই পাবে। কারণ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এতে উপস্থিত থাকবেন।’
/আরএম/এফআইআর/