জানা গেছে ৮ সেপ্টেম্বর তাসকিনের পরীক্ষা স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১০টায়, অন্যদিকে সানির পরীক্ষা বেলা ২টায়। পরীক্ষা দিতে যাওয়ার আগে সানিকে নিয়ে কিছুটা দুশ্চিন্তা দেখা গেছে। বেশ কয়েকদিন ধরেই জ্বরে ভুগছেন সানি। এই জ্বর নিয়ে আজ রাতেই তাসকিন আহমেদের সঙ্গে তাকে বোলিং পরীক্ষার জন্য উড়াল দিতে হবে অস্ট্রেলিয়ায়। শারীরিক অবস্থার বিষয়ে সানি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘ জ্বর একটু কমেছে। তবে পুরোপুরি নয়। এখনো পরীক্ষার দুই দিন বাকি।দেখা যাক কী হয়।’
যদিও সানি-তাসকিন দুইজনেই আশা করছেন বাংলাদেশের জন্য সুখবর নিয়ে ফিরবেন ব্রিসবেন থেকে। পরীক্ষার ফল জানতে বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের অপেক্ষা করতে হবে ২ থেকে ৩ সপ্তাহ। সেই পরীক্ষার আগে আত্মবিশ্বাসীই শোনালো সানিকে, ‘আগের চেয়ে আমার বোলিং অ্যাকশনে অনেক উন্নতি হয়েছে। স্থানীয় কোচরা দেখে তেমনটাই রায় দিয়েছেন। এখন ওখানে পরীক্ষার রেজাল্টের পর পরই বুঝতে পারবো, অ্যাকশন কেমন হলো। তবে সবমিলিয়ে আমার মনে হয়, অ্যাকশনের ভালোই উন্নতি হয়েছে।’ তাসকিনের আত্মবিশ্বাস যেন একটু বেশিই, ‘গত কয়েক মাস ধরে যেভানে অনুশীলন করেছি, তাতে করে আমি আত্মবিশ্বাসী আমার অ্যাকশনের পরিবর্তন হয়েছে। স্থানীয় কোচরাও আমাকে দেখে আশার কথাই বলেছেন। আমার বিশ্বাস এবার ভালো খবর আসবে।’ সঙ্গে যোগ করলেন, ‘আমি যে কোনও ধরনের বল করতেই প্রস্তুত। সেভাবে নিজেকে প্রস্তুত করেছি।’
ব্রিসবেনে সানি-তাসকিনের সঙ্গে থাকবেন জাতীয় দলের কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহেও। পরীক্ষা শেষে ১১ সেপ্টেম্বর দেশে ফেরার কথা তাদের। তাসকিন-সানি বুধবার ব্রিসবেনের ইনডোরে একদিন অনুশীলন করার সুযোগ পাবেন। ইতোমধ্যেই প্রধান কোচ হাথুরুসিংহে এই সব বিষয়গুলো গুছিয়ে রেখেছেন।
উল্লেখ্য, গত ৯ মার্চ ধর্মশালায় নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ম্যাচে স্পিনার আরাফাত সানি ও পেসার তাসকিন আহমেদের বোলিং অ্যাকশন সন্দেহজনক দাবি করেন ম্যাচ অফিসিয়ালরা। তাদের প্রতিবেদনের পর ১২ মার্চ সানি ও ১৫ মার্চ তাসকিন চেন্নাইয়ের শ্রী রামচন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবরেটরিতে অ্যাকশনের পরীক্ষা দেন। ১৯ মার্চ বিকালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সানি ও তাসকিনকে সব ধরনের বোলিং থেকে নিষিদ্ধ করে।
/আরআই/কেআর/