টাকার ব্যবধান কমছে দেশি-বিদেশি খেলোয়াড়দের

2015_10_14_20_42_10_2dlCd1weKclOHM0oC5hZ4yE9jY3oIw_originalবাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) চতুর্থ আসরেও ‘প্লেয়ার বাই চয়েস’ পদ্ধতির ফ্র্যাঞ্চাইজিরা তাদের পছন্দ মতো খেলোয়াড় সংগ্রহ করবে। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর স্থানীয় এক হোটেলে নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। গত আসরে স্থানীয় ও বিদেশী ক্রিকেটারদের মধ্যে টাকার ব্যবধান ছিল অনেক। এই আসরে তাই ব্যবধান কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল।

আগামী দুই-একদিনের মধ্যে বিপিএলের টেকনিক্যাল কমিটি এই ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে। এই কমিটিতে আছেন বিসিবির দুই পরিচালক জালাল ইউনুস ও আকরাম খান। তারাই আগামী দুই-একদিনের মধ্যে টিকেটের দাম, বিদেশি খেলোয়াড়দের দাম এবং গ্রেড, দেশি ক্রিকেটারদের দাম ও গ্রেড সংক্রান্ত বিষয়গুলো নির্ধারণ করবেন।

গত আসরে বিদেশি খেলোয়াড়দের সর্বোচ্চ দাম ছিল ৭০ হাজার ডলার, সর্বনিম্ন ৩০ হাজার ডলার। স্থানীয় খেলোয়াড়দের সর্বোচ্চ ৩৫ লাখ, সর্বনিম্ন পাঁচ লাখ টাকা। এেই আসরে এই ব্যবধান কমানো হবে জানিয়ে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের চেয়ারম্যান আফজালুর রহমান সিনহা বলেছেন, ‘এবার স্থানীয় টপ খেলোয়াড়দের সঙ্গে বিদেশী খেলোয়াড়দের দামের ব্যবধান কমানো হবে।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘এবারেরি আসরে আইকন ক্যাটাগরি থাকছে না। ‘এ’ প্লাস ক্যাটাগরি থেকেই মূলত ক্যাটাগরি শুরু হবে।’

প্রসঙ্গত, বিপিএলের তৃতীয় আসরে বিদেশি ক্রিকেটারদের জন্য বেধে দেওয়া মূল্য ‘এ’ ক্যাটাগরিতে ৭০ হাজার ডলার, ‘বি’ ক্যাটাগরি ৫০ হাজার, ‘সি’ ক্যাটাগরি ৪০ হাজার ও ‘ডি’ ক্যাটাগরি ৩০ হাজার ডলার। অন্যদিকে স্থানীয় খেলোয়াড়দের মধ্যে আইকনরা পেয়েছেন ৩৫ লাখ করে। 'এ' ক্যাটাগরি ২৮ লাখ টাকা। ‘বি’ ক্যাটাগরি ২২ লাখ, ‘সি’ ক্যাটাগরি ১৫ লাখ করে টাকা করে পেয়েছিলেন।

বর্তমান চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স, বরিশাল বুলস, রংপুর রাইডার্স, ঢাকা ডায়নামাইটস ও চিটাগং ভাইকিংস চাইলে দুইজন করে স্থানীয় খেলোয়াড় ধরে রাখতে পারবে। অবশ্যই সেটা সর্বোচ্চ ক্যাটাগরির বাইরে হতে হবে। এ ব্যাপারে তিনি আফজালুর রহমান বলেছেন, ‘এখনও এই ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে টেকনিক্যাল কমিটি দুই-এক দিনের ভেতরে এই ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে। দেশি ‘এ’ ক্যাটাগরির দুই জন করে খেলোয়াড় তারা রেখে দিতে পারবে। বিদেশিদের ব্যাপারে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি।’
/আরআই/কেআর/