ইতোমধ্যে চাঁন্দিনা রেদোয়ান আহম্মেদ স্টেডিয়ামে প্রাথমিক বাছাইয়ের প্রথম পর্বে ১৫ জন এবং কুমিল্লা জেলা স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় পর্বে ৪০ জন প্রতিভাবান পেস বোলার চূড়ান্ত করা হয়েছে। আগামী ২৮ অক্টোবর লালমাই ট্যালেন্টহ্যান্ট একাডেমির মাঠে আরও ২০ জন বাছাই করে মোট ৬০ জনকে গ্র্যান্ড ফাইনালের জন্য মনোনীত করা হবে। ২ নভেম্বর চূড়ান্ত পর্বে ৬০ পেস বোলারের মধ্যে থেকে ১০ জন চূড়ান্ত করে ভিক্টোরিয়ান্স টিমের সঙ্গে নেটে অনুশীলন করার সুযোগ পাবে। এছাড়াও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের চেয়ারপার্সন নফিসা কামাল কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত ‘লালমাই ট্যালেন্টহ্যান্ট একাডেমিতেও খেলার সুযোগ থাকছে।
‘নেট বোলার হান্ট’ প্রতিভাবান খেলোয়াড় বাছাই কার্যক্রমে কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন আতিকুর রহমান, ফয়সাল হোসেন ডিকেন্স, হাবিব মোবাল্লেক জেনস এবং আলামিন ভূঁইয়া।
‘কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স নেট বোলার হান্ট’ কার্যক্রম নিয়ে লালমাই ট্যালেন্টহ্যান্ট ক্রিকেট একাডেমির কোচ আতিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমরা ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। বৃহত্তর কুমিল্লা অঞ্চলে অনেক প্রতিভাবান পেস বোলার রয়েছে। ইতোমধ্যে আমরা বেশ কিছু ভালো খেলোয়াড় পেয়েছি। আশা করছি ২ নভেম্বর আমরা ১০ জন পেস বোলার খুঁজে পাবো যারা একদিন দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবে।’
/আরএম/এফআইআর/