প্রথম ম্যাচটি বাংলাদেশ মিডল অর্ডারের ব্যাটিং ব্যর্থতায় ২১ রানে পরাজিত হয়েছিল ইংলিশদের কাছে। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাটিং-বোলিং-ফিল্ডিংয়ে দুর্দান্ত প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম হয়েছে মাশরাফি বাহিনী। মাঠ ও মাঠের বাইরের নানা ঘটনায় চট্টগ্রামে দুই দলের মধ্যে উত্তাপ ছড়াচ্ছে! তারপরও এসব কিছু ছাপিয়ে দুইদলের এখন প্রধান প্রতিপক্ষ বৃষ্টি। গত তিন দিন ধরেই চট্টগ্রামের আকাশে থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বুধবারের ম্যাচেও।
মঙ্গলবার সকালে ইংলিশদের অনুশীলন থাকলেও অনুশীলন করার সুযোগ হয়নি বৃষ্টি বাধায়। টাইগারদের অনুশীলনের নির্ধারিত সিডিউল আড়াইটায়। বৃষ্টির কারণে তাদের অনুশীলন করা সম্ভব হবে না। সবমিলিয়ে দুই দলের প্রতিপক্ষ তাই বৃষ্টি।
চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামকে পয়মন্ত বল হয়। এই ভেন্যু দুই হাত ভরে টাইগারদের অনেক কিছু দিয়েছে। লাকি এই ভেন্যুতে বৃষ্টি বাগড়ায় এখন অবধি দুটি ম্যাচে একটি বলও মাঠে গড়ায়নি। একটি ২০০৭ সালে ভারতের বিপক্ষে, অন্যটি ২০১০ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। আর একটি ম্যাচে বৃষ্টি বাধা দিলেও বাংলাদেশ ডি/এল মেথডে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৯ উইকেটে জয় লাভ করে। ম্যাচটিতে ১০ ওভার কার্টেল করে ৪০ ওভার করা হয়।
বন্দর নগরী চট্টগ্রামে দুই দল একটি ওয়ানডের পাশাপাশি খেলবে একটি টেস্ট। টেস্ট ম্যাচ শুরুর আগে এম.এ. আজিজ স্টেডিয়ামে বিসিবি একাদশের বিপক্ষে দুইদিনের দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে সফরকারীরা।
এরআগে সোমবার দুপুরে একই ফ্লাইটে বাংলাদেশ ও ইংল্যান্ড ঢাকা ছাড়ে।
উল্লেখ্য, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এই ভেন্যুতে দুইবার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ। এর মধ্যে একবার টাইগাররা, আরেকবার ইংলিশরা জিতেছিল। ২০১১ বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ঘরের মাঠে প্রথমবারের মতো জিতেছিল ট্রট-কলিংউড-অ্যান্ডারসনদের বিপক্ষে। অন্যদিকে ২০১০ সালে ৪৫ রানে হেরেছিল টাইগাররা।
/আরআই/এফআইআর/