তিন দিনে টেস্ট জয়, তাও আবার ইংল্যান্ডের বিপক্ষে!

englishতিন দিনে টেস্ট জয়, তাও আবার কিনা ইংল্যান্ডের বিপক্ষে!  কোনও পাগল ক্রিকেট ভক্তেরও কল্পনাতে আসার কথা না। অথচ অকল্পনীয় সেই ব্যাপারটিই বাস্তবে ধরা দিল আজ (রবিবার)। ১৬ বছরের টেস্ট ইতিহাসের সেরা জয়ের পর বাংলাদেশ আজ উড়ছে আকাশে। টেস্ট ক্রিকেটের জনক বলে খ্যাত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এই ঐতিহসিক জয়ের আগে বাংলাদেশ জিতেছিল মাত্র সাতটি টেস্ট, যার মাঝে পাঁচটিই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আর বাকি দুটি দ্বিতীয় সারির এক ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয়টি তাই এক বাক্যেই সেরা।

এর আগে বাংলাদেশের মোট সাতটি টেস্ট জয়ের একটিই ছিল তিন দিনের মাঝে অর্জন করা। ২০১৪ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ঢাকায় এটি পেয়েছিল টাইগাররা। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এর অগে ৯ টেস্টের চারটিতে বাংলাদেশ তিন দিনের মাঝে হেরে গিয়েছিল। ২০০৩ সালে চট্টগ্রামে, ২০০৫ সালে লর্ডস ও চেস্টার লি স্ট্রিটে এবং ২০১০ সালে ম্যনচেস্টারে। ঢাকায় সেই তিন দিনের হারের ঝাঁঝালো জবাব দিল টাইগাররা।

আরেকটি বিষয় লক্ষ্যনীয় আর সেটি হলো বাংলাদেশের মোট আটটি টেস্ট জয়ের ছয়টি কিন্তু রানে জেতা। অর্থ্যাৎ চতুর্থ ইনিংসে প্রতিপক্ষকে বল করে অলআউট করেছে বাংলাদেশ। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আজ সেই কৃতিত্বেরই পুনরাবৃত্তি হলো। চতুর্থ ইনিংসে ব্যাট করে জিম্বাবুয়ে ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট জিতেছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের মোট আটটি জয়ের সাতটিতেই দলের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিলেন বর্তমান অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট জয়েই কেবল তিনি দলের অংশ ছিলেন না, বাকি সাতটি জয়ের সবক‘টিতেই মুশফিক ছিলেন দলের সাফল্যের অংশীদার। অবশ্য তার সঙ্গে তামিম ইকবাল, সাকিব আল হাসান ও মাহমুদুল্লাহ রিয়াদও আছেন। এর মাঝে তামিম তার সাতটি সেঞ্চুরির তিনটিই করেছেন ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। লর্ডস, ম্যানচেস্টার ও ঢাকায় তিনটি সেঞ্চুরি করেছেন তামিম। এবার চট্টগ্রামে প্রথম টেস্ট ৭৮ রানে বিদায় না নিলে তিনি হতে পারতেন ইংরেজদের বিপক্ষে চতুর্থ সেঞ্চুরির মালিক।

/আরএম/কেআর/