এ নিয়ে হোল্ডারের নেতৃত্বে প্রথম জয়ের স্বাদ নিলো ক্যারিবীয়রা। শুধু তাই নয় ২০০৭ সালের পর ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও বাংলাদেশের বাইরে এই জয়টিও হয়ে থাকলো প্রথম।
শেষ দিনে ১১৪ রানে ৫ উইকেট নিয়ে খেলতে নামে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এদিন জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ৩৯ রান। আর আগের দিন দাঁড়িয়ে যাওয়া ক্রেইগ ব্রাথওয়েট ও শেন ডরউইচের দৃঢ়তায় টেস্ট জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দুজনেই অপরাজিত ছিলেন ৬০ রানে। এ দুজনেই এদিন ৭.২ ওভারে জয় নিশ্চিত করেন।
এর আগে দ্বিতীয় ইনিংসে মিসবাহ-উল-হকরা ২০৮ রানে গুটিয়ে গেলে মাত্র ১৫৩ রানের লক্ষ্য ছুঁড়ে দেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিকে। যদিও অল্প সেই পুঁজিকে কঠিন করে তুলেছিলেন ইয়াসির শাহ ও ওয়াহাব রিয়াজ। তাদের তোপের মুখেই ৬৭ রান তুলতে ক্যারিবিয়ানরা হারিয়েছিল ৫ উইকেট। এর পরই বাকি কাজ সেরে মাঠ ছাড়েন ব্রাথওয়েট-ডরউইচ জুটি।
প্রথম ইনিংসেও অপরাজিত ছিলেন ওপেনার ব্রাথওয়েট। আর দুই ইনিংসে অপরাজিত থেকে নতুন এক রেকর্ডই গড়েছেন তিনি। কারণ টেস্টে আর কোনও ওপেনারই যে অপরাজিত থাকতে পারেননি দুই ইনিংসে! তাই ম্যাচসেরা হন দুই ইনিংসে কীর্তি গড়া ব্রাথওয়েট আর সিরিজসেরা হন ইয়াসির শাহ।
এই টেস্ট হারলেও তিন ম্যাচের সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতেছে পাকিস্তানই।
/এফআইআর/