পাকিস্তানের বিপক্ষে একটিমাত্র আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে কেসরিক উইলিয়াসের। তার সম্পর্কে ধারণা দিতে গিয়ে ড্যারেন স্যামি বলেছেন, ‘উইলিয়ামসের নিজস্বতা আছে, উদযাপনের নিজস্ব ধরন আছে। আমি ছেলেদের বলবো, ছোটবেলা থেকে আমরা বেড়ে উঠেছি, আমরা খেলাটা খেলেছি, কারণ আমরা উপভোগ করেছি। ভেতরে সেই প্যাশনটা থাকতে হবে। মাঠে নেমে উপভোগ করো, সেই প্যাশনটা বেরিয়ে আসবে। ভালো খেলতে চাইবে যে দলের হয়েই খেলো না কেনও।’
রাজশাহী কিংসের অধিনায়কত্বের দায়িত্ব পালন করবেন ড্যারেন স্যামি। তার নেতৃত্বেই খেলবে সাব্বির-মিরাজ-সোহানরা। রাজশাহী কিংসের হয়ে নতুন কিছু করার লক্ষ্য তার। তাইতো ড্রেসিরুমে অনেককিছুই বদলে দিতে চান ক্যারিবিয়ান এই অলরাউন্ডার। যদিও তার দৃষ্টিতে অধিনায়কত্ব করাটা খুবই চ্যালেঞ্জের হবে, ‘নেতৃত্ব ব্যাপারটি সব সময়ই চ্যালেঞ্জের। যে কোনও দলকে নেতৃত্ব দেওয়াটা অবশ্যই চ্যালেঞ্জিং। তবে এখানে সবাই পেশাদার ক্রিকেটার, আমাদের দলটিও রোমাঞ্চকর। কিংসকে নেতৃত্ব দিতে মুখিয়ে আছি। স্থানীয় কোচ ও ছেলেদের সহায়তায় আশা করি আমার অভিজ্ঞতা খুব উপভোগ্য হবে।’
দেশের হয়ে নেতৃত্ব দেওয়ার চেয়ে অচেনা ক্রিকেটারদের নেতৃত্ব দেওয়াটা কতটা চ্যালেঞ্জের? এমন প্রশ্নে স্যামি, ‘চ্যালেঞ্জিং অবশ্যই। তবে দিনশেষে খেলাটাতো ক্রিকেটই। বিশ্বজুড়ে খেলার এবং নেতৃত্ব দেওয়ার যে অভিজ্ঞতা আমার, এখানে তার ব্যতিক্রম কিছু নয়। আমরা চেষ্টা করব এমন একটা দলীয় সংস্কৃতি গড়ে তুলতে যেখানে থাকবে একতা, সবাই উপভোগ করবে এবং যা সাফল্য এনে দেবে।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমরা এমন ক্রিকেট খেলতে চাই, যা হবে উপভোগ্য। দলে বেশ কজন তরুণ ক্রিকেটার আছে, যাদের মনে হচ্ছে সাফল্যের জন্য ক্ষুধার্ত। ওদেরকে অনুশীলনে দেখেছি, তারা পারফর্ম করার জন্য মুখিয়ে আছে। ওদের মাঠে নেতৃত্ব দেওয়াটাও হবে রোমাঞ্চকর।’
/আরআই/এফআইআর/