তিনি আরও যোগ করেন, ‘উইকেট ভালো থাকলে ১৬০ তাড়া করা যায়। হয়তো ১০/১২ রান বাঁচাতে পারতাম। তামিমের ক্যাচটা শুরুতে ড্রপ না হলে হয়তো আরও ১০/১৫টা রান কম হতো। এছাড়া শুরুতে আমাদের এত উইকেট না পড়লে, তাড়া করা সম্ভব ছিল।’
প্রথম ম্যাচে হারলেও পরের ম্যাচ থেকে শক্তভাবে ফিরে আসতে চান মাশরাফি, ‘সামনের ম্যাচ থেকে আমাদের শক্তিশালীভাবে ফিরে আসতে হবে। অন্যথায় টুর্নামেন্টে ফিরে আসাটা কঠিন হবে। প্রথম ম্যাচ অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ ছিল, কিন্তু আমরা পারিনি। সামনের ম্যাচে এই ভুলগুলো দ্রুত শোধরাতে হবে।’
১৬২ রানের লক্ষ্যে ঠিক যেমন ভাবে কুমিল্লার ব্যাটসম্যানদের ব্যাটিং করা উচিত ছিল। সেভাবে ব্যাটিং করতে পারেনি তারা। মাশরাফি অবশ্য ব্যাটসম্যানদের সেভাবে দোষ দিচ্ছেন না, ‘আমার কাছে মনে হয় ব্যাটসম্যানদের প্রয়োগগত বিষয়গুলোতে কিছু ভুল ছিল। আসলে যাকে শট খেলা উচিত ছিল, তাকে না খেলে কঠিন বলে খেলে ফেলেছিল। এটা হয়তো চাপের কারণে হতে পারে। এগুলো একটু বিশ্লেষণ করতে হবে। কারণ টি-টোয়েন্টিতে শটস খেলতে হবে সবসময়, সেই কারণে সঠিক বোলারকে বেছে নিতে হবে।’
/আরআই/