শুরুতে আন্দ্রে ফ্লেচারের ঝড়ো ১৭ বলের ২৩ রানে ভালো সূচনা পায় খুলনা। মাশরাফির করা প্রথম ওভারে তিনি নেন দশ রান। অবশ্য তিনটি চার ও একটি ছক্কায় ১৭ বলে ২৩ রান করে ফ্লেচার সেই মাশরাফির শিকারে পরিণত হন। পুল করতে গিয়ে বল আকাশে উঠিয়ে দেন, বল লুফে নিতে ইমরুল কায়েসের কোনও অসুবিধা হয়নি।
এরপর ওয়ান ডাউনে শুভাগত হোমকে নামায় খুলনা। উদ্দেশ্য ছিল কিছু ধুমধারাক্কা মারে রানটা বাড়িয়ে নেওয়া। কিন্তু খুব একটা সফল হয়নি এই কৌশল, ১৮ বলে ১৬ রান করে মাশরাফির ঝুলিতে দ্বিতীয় শিকার হন শুভাগত।
তবে অপর ওপেনার হাসানুজ্জামনের ব্যাট থেমে থাকেনি। গত ম্যাচে বিপিএলে ডেব্যু হওয়া ইউল্যাব অধিনায়ক হাসানুজ্জামান ৩০ বলে ৩৭ রান করে দলে তার অন্তর্ভুক্তির যথার্থতা প্রমাণ করেন। মাশরাফি টানা চার ওভার বল করে তার কোটা পূর্ণ করে ফেলেন আর শেষ ওভারের দ্বিতীয় বলে তিনি কট বিহাইন্ড করেন হাসানুজ্জামানকে। তিনটি উইকেটের তিনটিরই পতন ঘটিয়ে দলকে উজ্জীবিত করেন কুমিল্লা অধিনায়ক।
এদিকে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে রানের চাকা ধীরগতির হয়ে যায় খুলনার। অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ ব্যাট হাতে ব্যর্থ হন, নাজমুল হোসেন শান্তকে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে তিনি স্লিপে সোহেল তানভিরের হাতে ধরা পড়েন। ১৪ বলে ১১ রান ছিল তার সংগ্রহ।
প্রথম দিকে ওভার প্রতি সাত আট রান করে নিলেও যতই ইনিংস এগিয়ে যায় ততই খুলনার রান রেট কমতে থাকে, কেউই বিগ শট খেলতে পারেননি। নিকোলাস পুরান ১৫ বলে ১৩, অলোক কাপালি ৩, আরিফুল হক ৭ ও মোশাররফ রুবেল ২ রানে বিদায় নিলে কুমিল্লা বোলারদের দাপট অব্যাহত থাকে।
শেষ দিকে কেভন কুপারের ১১ রানে ৯ উইকেটে ১৪০ রানের ওপরে নিজেদের সংগ্রহ নিয়ে যায় খুলনা।
২৬ রানে তিন উইকেট নিয়ে টসে জিতে বল হাতে তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত যে সঠিক ছিল তা প্রমাণ করেন মাশরাফি। ১৯ রানে তিনটি উইকেট নিয়েছেন পাকিস্তানি পেসার সোহেল তানভির।
/আরএম/