স্পট ফিক্সিংয়ের কলঙ্ক গায়ে লেগে গেছে সালমান বাটের। নিষেধাজ্ঞা শেষে ক্রিকেটে ফেরার পর সেটা মুছে ফেলার চ্যালেঞ্জ নিয়ে এগোচ্ছেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক। মোটামুটি সফল হচ্ছেন তিনি। দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে নিজেকে মেলে ধরেছেন। সম্প্রতি কায়েদ-ই-আজম ট্রফিতে ওয়াপদার প্রথম ফাইনাল জয়ের ম্যাচে হয়েছেন সেরা খেলোয়াড়। বাট নিজেকে কলঙ্কমুক্ত করতে কতটা সফল হবেন সেটা সময় বলে দেবে। তবে তিনি মনে করেন, ক্রিকেটকে কখনও পুরোপুরি দুর্নীতিমুক্ত করা সম্ভব হবে না।
অবশ্য ক্রিকেটকে দুর্নীতি থেকে মুক্ত করতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের সর্বাত্মক প্রচেষ্টার প্রশংসা করলেন বাট। নিজেও এ খেলাকে কলুষমুক্ত রাখতে লড়ে যাওয়ার ঘোষণা দিলেন তিনি, ‘আমি এধরনের পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে গেছি এবং দেখেছি, এর পুরোপুরি বিনাশ সম্ভব নয়। কারণ একটি দুর্বল মুহূর্ত ও একটি ভুল সিদ্ধান্ত আপনাকে এর সঙ্গে জড়িয়ে ফেলতে পারে এবং ধ্বংসের মুখে নিতে পারে।’ এমন ভুলের কারণে অনুশোচনার কমতি নেই বাটের মনে। কিন্তু এমন ভুল যেন আর কেউ না করে সেই লড়াই চালিয়ে গেছেন নিষেধাজ্ঞার মেয়াদে। ২০১০ সালের স্পট ফিক্সিংয়ের ঘটনার পর এনিয়ে আইসিসির সতর্ক অবস্থানে খুশি তিনি, ‘দুর্নীতিবিরোধী শিক্ষা ব্যবস্থা এসেছে এখন। আমি নিজেই এনিয়ে বেশ কয়েকটি দলের খেলোয়াড়দের সামনে বক্তৃতা দিয়েছি। এটা পার্থক্য গড়ে দিয়েছে।’
কায়েদ-ই-আজম ট্রফি জিততে ওয়াপদাকে দারুণভাবে নেতৃত্ব দিয়েছেন বাট। নিষেধাজ্ঞার পর আরেকটি সুযোগ পাওয়ায় কৃতজ্ঞ তিনি, ‘ক্রিকেটের স্বাদ আরেকবার নিতে সুযোগ দেওয়ায় আমি আল্লাহকে ধন্যবাদ জানাই। সত্যি বলছি আমি অনেক কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে গেছি এবং উপলব্ধি করেছি পাকিস্তানের ক্রিকেটের কতটা সুনামহানি করেছি আমি। আমার নিজের ব্যক্তিত্ব নষ্ট করেছি। যারা আমার কৃতকর্মে কষ্ট পেয়েছে তাদের কাছে আমি এখন কেবল ক্ষমা চাইতে পারি।’ সূত্র- পিটিআই
/এফএইচএম/